কেকেআরের অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে এবং লখনউয়ের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। — ফাইল চিত্র।
পাঁচ উইকেট নিলেন মহসিন। গ্রিনের পরের বলেই আউট অনুকূল। কেকেআরের ষষ্ঠ উইকেটের পতন।
যে বোলার ভাল বল করছেন, তাঁর বিরুদ্ধে এক বার জীবন পেয়েও শিক্ষা নিলেন না গ্রিন। পরের বলেই চালাতে গিয়ে আউট কেকেআরের ২৫ কোটির ক্রিকেটার। ২১ বলে ৩৪ করেছেন তিনি।
রান তোলার তো ইচ্ছা নেই বটেই। ক্রিজেও যেন কেকেআরের ক্রিকেটারদের থাকার ইচ্ছা নেই। সাজঘর থেকে যাওয়া-আসার পালা চলছে। মহসিনের বলে খোঁচা দিয়ে ফিরলেন রভমান পাওয়েল (১)।
কেকেআর ৩১-৪।
ক্রিজে ৯ রানে রঘুবংশী এবং ৫ রানে গ্রিন। শুরুর দিকের ওভারে একেবারেই কাজে লাগাতে পারেনি কলকাতা।
একটি ছয় মেরেছিলেন। কিন্তু ক্রিজে বেশি ক্ষণ টিকতে পারলেন না রাহানে। ১৫ বলে ১০ রানে আউট। যে বলে বৈভবেরা অর্ধশতরান করছেন, সেই সংখ্যক বল মাত্র ১০ করলেন রাহানে।
কেকেআর ১৭-২।
দ্বিতীয় ওভারেই ফিরলেন সেইফার্ট। আবার শূন্য রান করলেন। কেন দলে তাঁর জায়গা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। ২ ওভারে মাত্র ৩ রান উঠেছে কলকাতার।
তার মধ্যে একটি এসেছে ওয়াইড থেকে। ধীরে শুরু কেকেআরের।
জল্পনা থাকলেও সুযোগ দেওয়া হল না মাথিশা পাথিরানাকে। তিনি ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারদের তালিকাতেও নেই।