অনুশীলনে খোশমেজাজে মাথিশা পাথিরানা। ছবি: সমাজমাধ্যম।
প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে কেকেআর দলের সঙ্গে রয়েছেন। তার আগে দেশে ফিটনেস পরীক্ষা দিয়ে এসেছেন। তবু রবিবার হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাথিশা পাথিরানার খেলা নিয়ে নিশ্চয়তা নেই। ধোঁয়াশা জিইয়ে রাখলেন বোলিং কোচ টিম সাউদি। কী ভাবে হায়দরাবাদের দুই ওপেনারকে থামানো যায় সেই দিশাও দেখিয়েছেন তিনি।
লখনউয়ের বিরুদ্ধে খেলার মতো জায়গায় থাকলেও পাথিরানা ছিলেন না প্রথম একাদশে। পাথিরানাকে খেলানোর সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে না দিয়েও সাউদি বলেছেন, “বেশ কয়েক দিন হল ও দলের সঙ্গে রয়েছে। আমরা পরিস্থিতি দেখে দল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব। সেরা দলই নামাব। অনুশীলনে পাথিরানা ভালই বল করছে। ওকে পেয়ে আমরা খুব খুশি।”
বোঝাই যাচ্ছে, টানা দু’টি ম্যাচে জেতা কেকেআর দল ভাঙতে চাইছে না। পাথিরানাকে খেলালে টিম সেইফার্ট বা রভমান পাওয়েলের মধ্যে একজনকে বসাতে হবে। সেটা নিয়ে ধন্দে ভুগছে দল। সমস্যা মেনে নিয়েছেন সাউদিও। বলেছেন, “দল নির্বাচনের সময় কিছু জিনিস তো মাথায় রাখতেই হয়। দলের ভারসাম্য দেখতে হয়। আইপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলানো নিয়ে একটা হিসাব মাথার মধ্যে থাকে। পরিবেশের সঙ্গে সেগুলো নিয়েও ভাবতে হয়।”
হায়দরাবাদের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে হেরেছিল কলকাতা। সেই ম্যাচে অর্ধশতরানের সামান্য আগে থেমে গিয়েছিলেন অভিষেক শর্মা এবং ট্রেভিস হেড, যাঁদের একসঙ্গে ‘ট্রেভিষেক’ নামে ডাকা হচ্ছে। অর্ধশতরান করেছিলেন হাইনরিখ ক্লাসেন। এই তিন জনকে থামানোর জন্য কী পরিকল্পনা করেছে কলকাতা? আত্মবিশ্বাসী সাউদি বলেছেন, “প্রথম সাক্ষাতে আমরা বেশ ভাল বল করেছিলাম। কালকের ম্যাচের জন্য মুখিয়ে আছি। আমাদের দল শুরুতে উইকেট নিতে পারে। ওরা ইনিংসের শুরুটা ভাল করে। তাই ওদের বিরুদ্ধে যারা সাফল্য পেয়েছে তারা পাওয়ার প্লে-তে ভাল বল করেছে। তাই আমরাও সেটাই করার চেষ্টা করব।”
সাউদির সংযোজন, “শুরুটা ভাল করতে হবে এবং যতটা সম্ভব আগে উইকেট নিতে হবে। ওদের টপ অর্ডার ভাল খেলে। কেউ কেউ আছে যারা প্রথম বল থেকে চালিয়ে খেলতে থাকে। তাই পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচটা জেতার চেষ্টা করতে হবে।”
তিনি উদাহরণ টেনেছেন সুনীল নারাইনের। সাউদির মতে, টি-টোয়েন্টি যে ভাবে ব্যাটারদের খেলা হয়ে যাচ্ছে সেখানে নারাইনের মতো ক্রিকেটারই দরকার। সাউদির কথায়, “দীর্ঘ দিন খেলছে নারাইন। সকলে ওর চালাকি জানে। তবু নারাইন এত সফল। এখনও আইপিএলে প্রতি ওভারে ছয় বা তার কম রান দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। বোলার হিসাবে সব সময় উন্নতির কথা ভেবে যেতে হবে। সফল হওয়ার রাস্তা নিজেকেই খুঁজতে হবে।”