International Yoga Day

মোদীর সঙ্গে যোগে যোগ দিতে কাকভোরে আসার ঝক্কি, চিন্তিত পড়ুয়ারা

তবে শহরে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে সময়ে পৌঁছতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনেকেরই কলকাতায় কোনও আত্মীয় বা বন্ধুর বাড়িতে থাকার পরিকল্পনা করছে, যেখান থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা রেড রোডে নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছনো যাবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ০৭:৩৭
Share:

—নিজস্ব চিত্র।

কাকভোরে কাঁটায় কাঁটায় সাড়ে চারটেয় স্কুল থেকে বাস ছাড়বে রেড রোডের উদ্দেশে। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছতেই হবে ভোর পাঁচটার মধ্যে। আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে যে সব ছাত্রছাত্রীরা রেড রোডে যোগে শামিল হচ্ছেন, সেই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমনই নির্দেশ গিয়েছে। চিন্তা বেশি স্কুল পড়ুয়াদের নিয়েই! এত ভোরে তারা কী করেস্কুলে পৌঁছবে, তা নিয়েই চিন্তিত শিক্ষকেরা।

তবে শহরে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে সময়ে পৌঁছতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনেকেরই কলকাতায় কোনও আত্মীয় বা বন্ধুর বাড়িতে থাকার পরিকল্পনা করছে, যেখান থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা রেড রোডে নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছনো যাবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরাই সময় মতো আসার ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।

যাদবপুর বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক পার্থপ্রতিম বৈদ্য বলেন, ‘‘এত ভোরে দূরের পড়ুয়ারা স্কুলে এসে, যেতে পারবে না। ফলে স্কুলের কাছে থাকে এমন পড়ুয়াদেরই প্রাধান্য দিয়েছি। ওদের বলেছি ভোরসাড়ে চারটের মধ্যে স্কুলে চলে আসতে। আমাদের ৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী রেড রোডে যোগের অনুষ্ঠানে যাচ্ছে। সঙ্গে থাকছেন শারীরশিক্ষার এক শিক্ষক। তিনি আবার থাকেন সোনারপুরে। তাঁকেও রাত থাকতেই বেরোতে হবে।’’

সূত্রের খবর, কলকাতা থেকে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ১২৫টি স্কুলের অন্তত ৩০ জন করে পড়ুয়া এই অনুষ্ঠানে ডাক পেয়েছে। কলকাতা, যাদবপুর ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি ও সরকার-পোষিত কলেজ ১৫টি থাকছে। এ ছাড়া, বেশ কয়েকটি বেসরকারি কলেজও অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। রেড রোডের অনুষ্ঠানে যাঁরা যাচ্ছেন না, এমন অনেক স্কুল, কলেজকে আবার শিক্ষাঙ্গনেই যোগ দিবসের অনুষ্ঠান করে, ভিডিয়ো তুলে শিক্ষা দফতরে পাঠাতে হবে। রাজ্য জুড়ে একযোগে যোগে শামিল হয়ে শিক্ষা দফতরের তরফে রেকর্ড বইয়ে নামতোলার তোড়জোড় হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের দল বরাবরই সর্বভারতীয় আসরে যোগে দারুণ ফল করে। কিন্তু মেয়েদের অনেকেরই দূরে বাড়ি। স্পোর্টস অফিসার আমিনুল হক বলেন, ‘‘আমাদের ২৫ জনের দলের সবাইকে আগের দিন সন্ধ্যায় রিপোর্ট করতে বলেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে সবার থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্তহচ্ছে।’’ দক্ষিণ কলকাতার একটি কলেজের যোগ-বিষয়ক নোডাল অফিসার রাতে অধ্যক্ষের বাড়িতে থেকে যাচ্ছেন। সন্তোষপুর ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষিকা সর্বাণী সেন জানান যে, ছাত্রীদের বাছাই করা হয়েছে, তাদের সবাইকে অভিভাবকের অনুমতিপত্র আনতে বলেছি। বেলতলা গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অজন্তা মুখোপাধ্যায়ও বলছেন, ‘‘অত ভোরে ছাত্রীদের অনেককেই অ্যাপ ক্যাব ধরতে হবে। তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে আসতে বলেছি।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন