মারমুখী মেজাজে কুইন্টন ডি’কক। ছবি: পিটিআই।
রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেলটনের জন্য সুযোগ পাচ্ছিলেন না। রোহিত চোট পাওয়ায় পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে সুযোগ পেলেন। আর সুযোগ পেয়েই তা কাজে লাগালেন কুইন্টন ডি’কক। ওয়ানখেডে স্টেডিয়ামে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে শতরান করলেন। তাঁর অপরাজিত ১১০ রানে ভর করে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৫ রান করল মুম্বই। ডি’কককে সঙ্গ দিলেন নমন ধীর। তাঁর ব্যাট থেকেও এল ৫০ রান।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মুম্বই। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পর পর দু’বলে উইকেট নেন অর্শদীপ সিংহ। প্রথমে ২ রানের মাথায় রায়ান রিকেলটনকে আউট করেন তিনি। প্রথম বলে শূন্য রানে ফেরেন সূর্যকুমার যাদব। আরও এক ম্যাচে রান পেলেন না সূর্য। তাঁর উপর ক্রমশ চাপ বাড়ছে।
তবে দুই উইকেট পড়ার পরেও রান তোলার গতি কমতে দেননি ডি’কক ও নমন। দু’জনেই হাত খুলে খেলছিলেন। পঞ্জাবের স্পিনার যুজবেন্দ্র চহল ও পেসার জ়েভিয়ার বার্টলেটকে নিশানা করেন তাঁরা। প্রতি ওভারে ১০ রানের বেশি হচ্ছিল। ৬৮ বলে ১২২ রানের জুটি গড়়েন তাঁরা।
সেই জুটি ভাঙেন শশাঙ্ক সিংহ। তাঁকে মারতে গিয়ে ৩১ বলে ৫০ রানে আউট হন নমন। হার্দিক শুরুটা পেলেও বড় রান করতে পারেননি। ১২ বলে ১৪ করে আউট হন। তবে তাঁর উইকেটের কৃতিত্ব শ্রেয়স আয়ারের। বাউন্ডারির বাইরে বল পড়ছিল। শ্রেয়স ঝাঁপিয়ে দু’হাতে বল ধরেন। তিনি বাউন্ডারির বাইরে ছিলেন। শরীর মাটিতে পড়ার আগে ভিতরে বল ছুড়ে দেন তিনি। সেই বল ধরেন বার্টলেট।
আগের ম্যাচে নজর কাড়া শারফেন রাদারফোর্ড এই ম্যাচে রান পাননি। কিন্তু ডি’কককে কেউ আউট করতে পারলেন না। আইপিএলে নিজের তৃতীয় শতরান করলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত টিকে থাকলেন। তাঁর ১১০ রানে ভর করে ১৯৫ রান তুলল মুম্বই। পঞ্জাবের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল অর্শদীপ। চার ওভারে ২২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। আইপিএলে ১০০ উইকেটের মালিক হয়েছে পঞ্জাবের পেসার।