আগ্রাসী মেজাজে রিচা ঘোষ। ছবি: বিসিসিআই।
মহিলাদের প্রিমিয়ার লিগে ইতিহাস। প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে শতরান করলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ন্যাট সিভার ব্র্যান্ট। তাঁর ৫৭ রানে ১০০ রানের ইনিংসের সুবাদে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ৪ উইকেটে ১৯৯ রান করেন হরমনপ্রীত কৌরেরা। জবাবে স্মৃতি মন্ধানা দলের ইনিংস শেষ হল ৯ উইকেটে ১৮৪ রানে। কাজে এল না রিচা ঘোষের ৯০ রানের ইনিংস। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ হারলেন মন্ধানারা।
টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন মন্ধানা। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে শুরুটা ভাল হয়নি মুম্বইয়ের। ৭ রান করে আউট হয়ে যান সজীবন সজনা। তবে অন্য ওপেনার হেইলি ম্যাথিউ এবং ব্র্যান্ট পরিস্থিতি সামাল দেন। তাঁদের দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ওঠে ১৩১ রান। ম্যাথিউ করেন ৩৯ বলে ৫৬। মারেন ৯টি চার। তবে মহিলাদের আইপিএলে প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে শতরান করার নজির গড়লেন ব্র্যান্ট। তাঁর ৫৭ বলের ইনিংসে রয়েছে ১৬টি চার এবং ১টি ছক্কা। রান পেলেন না হরমনপ্রীত (২০)। বেঙ্গালুরুর সফলতম বোলার লরেন বেল ২১ রানে ২ উইকেট নিলেন।
জয়ের জন্য ২০০ রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে মন্ধানার দল। ৩৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যায় বেঙ্গালুরুর। গ্রেস হ্যারিস (১৫), মন্ধানা (৬), জর্জিয়া ভল (৯), গৌতমী নায়েক (১), রাধা যাদব (০) পর পর আউট হয়ে যান। চাপের মুখে লড়াই করলেন বাংলার রিচা। দলকে জেতাতে না পারলেও বাংলার উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ৫০ বলে ৯০ রানের ইনিংস খেললেন। ১০টি চার এবং ৬টি ছক্কা এল রিচার ব্যাট থেকে। ক্লার্ক করলেন ২৮। অরুন্ধতী রেড্ডি (১৪), শ্রেয়াঙ্কা পাতিলের (অপরাজিত ১২) শেষ দিকে লড়াইও কাজে এল না।
মুম্বইয়ের সফলতম বোলার ম্যাথিউ ১০ রানে ৩ উইকেট নিলেন। ২৫ রানে ২ উইকেট শবনিম ইসমাইলের। ৩৭ রানে ২ উইকেট অ্যামেলিয়া কেরের।