মহম্মদ শামি। — ফাইল চিত্র।
সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবু ভারতীয় দলে ফেরা হল না মহম্মদ শামির। শনিবার নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ়ের যে দল বেছে নেওয়া হয়েছে, তাতে নেই শামির নাম। বাংলার পেসার বিজয় হজারেতে তিন উইকেট নিয়ে দলকে জিতিয়ে জবাব দিয়েছেন। জবাব দিয়েছেন আর এক ব্রাত্য দেবদত্ত পাড়িক্কলও। বিজয় হজারেতে চতুর্থ শতরান করেছেন।
বিজয় হজারের নকআউটে উঠতে শনিবার অসমকে হারাতেই হত বাংলাকে। তারা জিতল ৮৫ রানে। অসম টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেয়। শুরুতে অভিষেক পোড়েলকে (১১) হারালেও বাংলা সমস্যায় পড়েনি। একটা দিক ধরে রাখেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। তিনি শতরান করেন। উল্টো দিকে বাংলা হারায় সুদীপ ঘরামি (৩২) এবং অনুষ্টুপ মজুমদারকে (৩১)। তবে অভিমন্যুর সঙ্গে জুটি বেঁধে বাংলাকে ভাল জায়গায় পৌঁছে দেন শাহবাজ় আহমেদ (অপরাজিত ৬৬)। পরের দিকে নেমে তিনটি চার এবং একটি ছয় মেরে ১১ বলে ২৫ রানের ইনিংস খেলেন শামি।
বল করতে নেমেও অসমকে প্রথম ধাক্কা দেন শামি। ফেরান ওপেনার প্রদ্যুন শইকীয়াকে (২)। অসমের কোনও ব্যাটারই দীর্ঘ ক্ষণ ক্রিজ়ে থাকতে পারেননি। সর্বোচ্চ রান ডেনিশ দাসের (৪৩)। শামি ৫৫ রানে ৩ উইকেট নেন। ৪১ রানে ২ উইকেট রোহিত দাসের।
ভারতের এক দিনের দলে ঢোকার কথা থাকলেও জায়গা পাননি কর্নাটকের পাড়িক্কল। নির্বাচকদের জবাব দিয়েছেন শতরান করে। গত পাঁচটি ইনিংসে এটি তাঁর চতুর্থ শতরান। এ দিন ত্রিপুরার বিরুদ্ধে ৬ রানে ২ উইকেট পড়ে যায় কর্নাটকের। সেই জায়গা থেকে দলের হাল ধরেন পাড়িক্কল এবং স্মরণ রবিচন্দ্রন (৬০)। পরের দিকে চালিয়ে খেলেন অভিমন মনোহর (অপরাজিত ৭৯)। কর্নাটকের ৩৩২/৭-এর জবাবে ত্রিপুরা শেষ হয়ে যায় ২৫২ রানে। অন্য দিকে, সঞ্জুর শতরানে ভর করে কেরল আট উইকেটে হারিয়েছে ঝাড়খন্ডকে।
এক দিনের দলে তাঁর জায়গা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তবে নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ে নেওয়া হয়েছে তাঁকে। সে দিনই দিল্লির ম্যাচে অপরাজিত অর্ধশতরান করে দলকে জেতালেন ঋষভ পন্থ। সার্ভিসেসের ১৭৮ রান মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই তুলে দিয়েছে দিল্লি। পন্থ অপরাজিত থেকেছেন ৩৭ বলে ৬৭ রানে। মেরেছেন চারটি চার এবং ছ’টি ছয়।