সূর্যকুমার যাদব (বাঁ দিকে) এবং গৌতম গম্ভীর। ছবি: পিটিআই।
সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর সঞ্জু স্যামসনের ৯৭ এবং শিবম দুবের ৮ রানকে সমান গুরুত্ব দিয়েছিলেন গৌতম গম্ভীর। ভারতীয় কোচের সুরই শোনা গেল সূর্যকুমার যাদবের গলায়। ফাইনালের আগে তিনি জানালেন, গম্ভীর আসার পর থেকে এই দলে ব্যক্তিগত মাইলফলকের আর জায়গা নেই। গম্ভীর সকলের অবদানকেই সমান চোখে দেখেন।
শনিবার অহমদাবাদে সূর্য বলেছেন, “যদি ওঁর হাতে ক্ষমতা থাকত তা হলে প্যাড পরে ব্যাট করতে নেমে পড়তেন। উনি এ ধরনের পরিস্থিতি কাটিয়েছেন। একাধিক বিশ্বকাপ জিতেছেন। ওঁর মন্ত্র হল, ক্রিকেটের মতো খেলায় সকলের অবদান প্রকাশ্যে আনতে হবে। উনি বিশ্বাস করেন, কোনও প্রতিযোগিতাই একজন বা দু’জনের অবদানে জেতা যায় না। সকলের থেকে সেরাটা বার করে আনতে বদ্ধপরিকর উনি। ব্যাটিং বিভাগে সকলে বাড়তি মনোযোগ দিক, এটাই গম্ভীর চান।”
সূর্যের সংযোজন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল, এই দলের মধ্যে থেকে ব্যক্তিগত মাইলফলকের বিষয়টা উঠিয়েই দিয়েছেন উনি। আমাদের সকলের কাছে ক্রিকেট এখন দলগত খেলা।”
গম্ভীর দলকে নিয়ে ঠিক কী ভাবেন তা উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন সূর্য। বলেছেন, “আগের ম্যাচের দিকে যদি তাকান, তিলক ৭ বলে ১৮ রান করেছিল। আমরা সেটাকে পঞ্চাশ বা শতরানের মতোই মনে করি। এটাই এই সাজঘরের সংস্কৃতি। গম্ভীরের কাছে দলের লক্ষ্যের চেয়ে বড় কিছু নেই। যদি উনি চান আমাদের প্রথম বলে ছয় মারা দরকার, তা হলে আমাদের সেটাই করতে হবে। যদি উনি চান স্বাভাবিক খেলা সরিয়ে রেখে পরিস্থিতির কথা ভেবে খেলতে হবে, তা হলে সেটাই করতে হবে। এটাই ওঁর দর্শন। ফলে গোটা দলের মধ্যে অনেক ইতিবাচকতা তৈরি হয়েছে। পরিবেশটাও দারুণ।”
সূর্যের মতে, নিজের কথা ভাবা বন্ধ করে দলের কথা ভাবলে সকলের লক্ষ্যই সমান। তাঁর কথায়, “যদি এতজন মানুষ একই দিকে থাকেন তা হলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়।”