আগ্রাসী ইনিংস তিলকের। ছবি: পিটিআই।
আইপিএলটা খুব একটা ভাল যাচ্ছিল না তাঁর। ক্রমশ টলোমলো হচ্ছিল নিজের জায়গা। এই অবস্থায় সোমবার তিলক বর্মার ব্যাট থেকে পাওয়া গেল আত্মবিশ্বাসী ইনিংস। চাপের মুখে আগ্রাসী খেললেন তিনি। ইনিংসের শেষ বলে চার মেরে শতরান করলেন। গুজরাতের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ১৯৯/৫ তুলল মুম্বই। ভাল খেলেছেন নমন ধীরও।
মুম্বইয়ের হয়ে এ দিন অভিষেক হয়েছে দানিশ মালেওয়ার এবং কৃশ ভগতের। দানিশকে পাঠানো হয়েছিল কুইন্টন ডি ককের সঙ্গে ওপেন করতে। তিনি ৪ বলে ২ রান করে ফিরে যান। ডি ককও ১১ বলে ১৩ রানের বেশি করতে পারেননি। চতুর্থ ওভারের মধ্যেই মুম্বইয়ের দুই ওপেনারকে সাজঘরে ফেরত পাঠায় গুজরাত।
জোড়া ধাক্কা কমিয়ে দেয় মুম্বইয়ের রানের গতি। নমন ধীর এবং সূর্যকুমার দলকে টানার চেষ্টা করছিলেন। তবে সূর্যের খারাপ ফর্ম এই ম্যাচেও অব্যাহত। একটি করে চার এবং ছয় মেরে আশা জাগালেও তিনি ১০ বলে ১৫ করে ফিরে যান। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন নমন এবং তিলক। যদিও রানের গতি খুব বেশি ছিল না। ৬টি চার এবং ১টি ছয় মেরে ৩২ বলে ৪৫ রান করে ফেরেন নমন।
তিলকের সঙ্গে হার্দিক যোগ দিতেই রান তোলায় গতি আসে। হার্দিক নিজে ব্যাটে বলে করতে পারছিলেন না। কিন্তু উল্টো দিক থেকে ক্রমাগত উৎসাহ দিতে থাকেন তিলককে। সেটাই আরও চাঙ্গা করে দেয় মুম্বইয়ের ব্যাটারকে। ১৮তম ওভারে অশোক শর্মাকে তিনটি ছয় এবং দু’টি চার মারেন তিনি। তার আগে ১৫তম ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকেও একটি ছয় এবং দু’টি চার মারেন তিনি। শেষ ওভারেও প্রসিদ্ধকে দু’টি চার এবং দু’টি ছয় মারেন।
গুজরাতের হয়ে ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন রাবাডা। ২৫ রানে ১ উইকেট সিরাজের।