বৈভব সূর্যবংশী। —ফাইল চিত্র।
জসপ্রীত বুমরাহ না ভুবনেশ্বর কুমার, প্রতিপক্ষে কে রয়েছেন দেখে না বৈভব সূর্যবংশী। তার লক্ষ্য, বল দেখে বড় শট খেলা। চলতি আইপিএলে ছন্দে রয়েছে বৈভব। প্রতিটি ম্যাচে ভাল শুরু দিচ্ছে রাজস্থান রয়্যালসকে। কমলা টুপির দৌড়েও সকলের উপরে রয়েছে সে। বোলারদের ভয় না পেলেও কেক কাটতে বেজায় ভয় বৈভবের। সেই ছবিই দেখা গিয়েছে।
পঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে হোটেলে ফেরার পর রাজস্থানের উল্লাসের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, হোটেলের লবিতে একটি কেক রাখা রয়েছে। সেই কেক কে কাটবেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। বৈভব যে হেতু ১৬ বলে ৪৩ রান করে রাজস্থানের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছে, তাই তারে কেক কাটতে বলেন অনেকে। তখনই বিপত্তি।
বৈভব কিছুতেই কেক কাটতে চায়নি। সে রবীন্দ্র জাডেজাকে বলে, “দাদা, তুমি কেক কাটো না।” তা শুনে জাডেজা বলেন, “তুই কাট।” তখনই বোঝা যায়, কেন কেক কাটতে চাইছে না বৈভব। সে বলে, “আমি কেক কাটলেই ওরা আমার মুখে মাখিয়ে দেবে। তাই আমি কাটব না। তুমি কাটো।” জাডেজাও ঠিক করে নিয়েছিলেন, বৈভবকে দিয়েই কেক কাটাবেন তিনি। তাই বৈভবকে টেনে কেকের কাছে আনেন তিনি। বলেন, “তুই কেক কাট। কেউ কিচ্ছু করবে না। আমি আছি।”
বৈভবের এই ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। সকলে তার সরল মনের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, মাঠের ভিতরে ও বাইরে বৈভব আলাদা। মাঠের বাইরে তাকে দেখলে বোঝা যায়, সত্যিই তার বয়স ১৫ বছর। কখনও বাসের লাইট নিয়ে খেলে সে। আবার কখনও কেক কাটতে ভয় পায়। কিন্তু মাঠের ভিতরে বৈভব ঠিক বাঘের মতো।
চলতি আইপিএলে ন’ম্যাচে ৪০০ রান বৈভবের। সে প্রথম ক্রিকেটার যে এ বার ৪০০ পার করেছে। ৪৪.৪৪ গড় ও ২৩৮.০৯ স্ট্রাইক রেটে রান করেছে রাজস্থানের বাঁহাতি ওপেনার। একটি শতরান ও দু’টি অর্ধশতরান করেছে সে। বৈভবের ব্যাটে ভর করে প্লে-অফে ভাল জায়গায় রাজস্থান।