নেমার। —ফাইল চিত্র।
মরক্কোর বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি। হাইতির বিরুদ্ধেও নেমারের খেলা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তিনি কবে সুস্থ হতে পারবেন, তা সম্ভবত নিজেও জানেন না। নতুন করে নেমারের চোটের পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্টের বিষয়ে কিছু ফাঁস করেনি ব্রাজ়িল।
ডান পায়ের পেশিতে চোট রয়েছে নেমারের। বিশ্বকাপের আগেই চোট পেয়েছিলেন তিনি। চোটের কারণে গত মরসুমে খুব কম সময় মাঠে দেখা গিয়েছে তাঁকে। চোট থাকার পরেও নিজের দলে নেমারকে নিয়েছিলেন ব্রাজ়িলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। তিনি আশা করেছিলেন, বিশ্বকাপে ব্রাজ়িল নামার আগে নেমার সুস্থ হয়ে উঠবেন। কিন্তু সেই আশা ক্রমশ কমছে।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
জানা গিয়েছে, নেমারের চোট আবার স্ক্যান করে দেখা হয়েছে। সেই পরীক্ষার রিপোর্টের বিষয়ে কিছু জানায়নি ব্রাজ়িল। পুরো বিষয়টি গোপন রাখতে চাইছে তারা। বিশ্বকাপের দলে থাকলেও এখনও সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করতে দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। ম্যাচের সময়ও বেঞ্চেই বসে থাকছেন ৩৪ বছর বয়সি তারকা।
বিশ্বকাপের শুরুটা ভাল হয়নি ব্রাজ়িলের। মরক্কোর বিরুদ্ধে কোনও রকমে ড্র করেছে তারা। ব্রাজ়িলের খেলা দেখে মন ভরেনি। ভিনিসিয়াস জুনিয়র একক দক্ষতায় গোল করতে না পারলে প্রথম ম্যাচেই হারতে হত ব্রাজ়িলকে। নেমার না থাকায় সামনে ইগর থিয়াগোকে খেলিয়েছিলেন আনচেলোত্তি। একেবারেই নজর কাড়তে পারেননি এই স্ট্রাইকার।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
সেই ম্যাচে সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে বেশ কিছু নির্দেশ দিতে দেখা গিয়েছে নেমারকে। এমনকি গোলের আগে নেমারের কথা শুনেই রসদ পেয়েছিলেন ভিনিসিয়াস। কিন্তু নেমারের কাজ মাঠে নেমে গোল করা। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ব্রাজ়িলকে বার করা। তিনি কবে মাঠে নামবেন সেই আশাতেই রয়েছেন ব্রাজ়িলের সমর্থকেরা। কিন্তু তাঁকে নিয়ে ধোঁয়াশা বেড়েই চলেছে।