গোলের পর উচ্ছ্বাস রোনাল্ডোর। ছবি: রয়টার্স।
অবশেষে বিশ্বকাপে আগমন হল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। প্রথম ম্যাচে খারাপ পারফর্ম করে সমালোচিত হওয়ার পর উজ়বেকিস্তানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তিনি। বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসাবে টানা ছ’টি বিশ্বকাপে গোল করলেন পর্তুগালের ফুটবলার।
এ বার লিয়োনেল মেসিও ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলছেন। তবে ২০১০-এ তিনি গোল করতে পারেননি। সোমবার রাতেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন মেসি। তার পর দিন বিশ্বরেকর্ড করলেন রোনাল্ডোও।
২০০৬-এ বিশ্বকাপে অভিষেক হয় রোনাল্ডোর। ১৭ নম্বর জার্সি পরে অ্যাঙ্গোলার বিরুদ্ধে প্রথম মাঠে নামেন তিনি। ৬০ মিনিট পর তুলে নেওয়া হয়। পরের ম্যাচে ইরানের বিরুদ্ধে গোল করেন, যা বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম গোল। মেক্সিকোর বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ ম্যাচে তাঁকে নামানো হয়নি। প্রি-কোয়ার্টারে নেদারল্যান্ডস ম্যাচে তাঁকে কিছু ক্ষণ পর তুলে নেওয়া হয়। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ ০-০ ড্র থাকার পর শুটআউটে রোনাল্ডোর গোলে সেমিফাইনালে ওঠে পর্তুগাল। তবে ফ্রান্সের কাছে হেরে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যায়।
২০১০-এ রোনাল্ডো অনেক পরিণত হয়ে নেমেছিলেন। বালঁ দ্যর এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ফেলেছিলেন। লুই ফিগোর থেকে সাত নম্বর জার্সিও পেয়েছিলেন। উত্তর কোরিয়া ম্যাচে রোনাল্ডো একটি গোল করেন। পরের রাউন্ডেই ছিটকে যায় পর্তুগাল।
২০১৪-য় রোনাল্ডোর হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করে পর্তুগাল। তবে বিশ্বকাপের আগেই চোট পান রোনাল্ডো। তাই সেরা ছন্দে পাওয়া যায়নি তাঁকে। ফলে প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ০-৪ হারে পর্তুগাল। ঘানার বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ ম্যাচে গোল করেন রোনাল্ডো। তবে দেশ গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি।
২০১৮ রোনাল্ডোর কাছে স্মরণীয়। স্পেনের বিরুদ্ধে গ্রুপের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। মরক্কোর বিরুদ্ধে একটি গোল করেন। ২০২২-এ মাত্র একটি গোল করেন রোনাল্ডো। সেটি আসে ঘানার বিরুদ্ধে গ্রুপের ম্যাচে।