হর্ষ-বিষাদ: সন্দেশদের উল্লাস। হতাশ দীনেশ। ছবি: এআইএফএফ।
আইএসএলে প্রতিপক্ষ বদলায়। বদলায় না মহমেডান স্পোর্টিংয়ের হারের কাহিনি। সমর্থকরা প্রিয় ক্লাবকে নিয়ে স্বপ্ন দেখলেও ফুটবলাররা কি আদৌ মাঠে জয়ের জন্য লড়াই করে? কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে শুক্রবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মহমেডানের খেলা দেখার পরে সমর্থকদের মনে কিন্তু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এ দিনের লড়াইটা ছিল মূলত এফসি গোয়ার আক্রমণ বনাম মহমেডানের রক্ষণের। কলকাতার অন্যতম প্রধানের লক্ষ্য ছিল গোল না হজম করা। ফলে অধিকাংশ সময়ে পুরো দলই ব্রাইসন ফার্নান্দেসদের আক্রমণ সামলাতে রক্ষণে নেমে আসছিল। তবুও ম্যাচের ৪ মিনিটেই এগিয়ে যায় গোয়া। কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে লাফিয়ে হেড করেন পল মোরেনো। তিনি যখন উঠছেন, কোনও ডিফেন্ডারই ন্যূনতম বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেন না।
এর পরে সারা ম্যাচে প্রায় গোটা চারেক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করেছে গোয়া। এমনকি গোয়ার কোচ মানোলো মার্কেসও বারবার অসন্তোষ প্রকাশ করছিলেন। ৩০ মিনিটের মাথায় নিজেদের বক্সে উদান্ত সিংহকে ফাউল করেন গোলরক্ষক শুভজিৎ ভট্টাচার্য। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দিলে ব্যবধান বাড়াতে ভুল করেননি দেজান দ্রাজ়িচ।
দ্বিতীয়ার্ধে মহমেডানের সামনে দিনের সহজতম সুযোগটি এসেছিল। লালথানকিমার বাড়ানো বল ধরে শট নেন মহীতোষ রায়। গোয়ার গোলরক্ষক হৃতিক তিওয়ারি প্রথম বার বাঁচান। ফিরতি বলে মাকান ছোটের নেওয়া শট একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে ক্রসবারে লেগে বাইরে চলে যায়।
ফলে স্কোরলাইনের পাশাপাশি বদলাল না মহমেডানের হারের ধারাও।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে