(বাঁ দিকে) কিলিয়ান এমবাপে এবং দিদিয়ের দেশঁ। ছবি: রয়টার্স।
ফ্রান্সের বিরুদ্ধে প্যারাগুয়ে কিছুটা ‘টাফ’ ফুটবল খেলেছে। কিলিয়ান এমবাপেদের শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা নিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশটির ফুটবলারেরা। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ফুটবলারেরা মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচ শেষ করায় খুশি ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশঁ। যদিও নিজে ম্যাচের সময় মেজাজ হারিয়েছেন। সমালোচনা করেছেন প্যারাগুয়ের খেলার।
ম্যাচের পর ফুটবলারদের মানসিকতার প্রশংসা করে দেশঁ বলেছেন, ‘‘আমরা নিজেদের খেলায় মনোনিবেশ করেছিলাম। কঠিন ম্যাচ ছিল। প্যারাগুয়ের ফুটবলারেরা সব সময় বলের কাছাকাছি থাকছিল। ওদের রক্ষণ দারুণ। এই তাপমাত্রায় গতিসম্পন্ন ফুটবল খেলা কঠিন। আমাদের ফুটবলারেরাও কিন্তু পাল্লা দিয়ে গিয়েছে। আমরা চাপ ধরে রাখতে সফল হয়েছি। চাপ ধরে রাখলেই ম্যাচ জেতা যায় না। তা-ও এটা গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচের অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগবে। আমাদের কিছু ফুটবলার প্রথম বার বিশ্বকাপ খেলছে। এ পর্যন্ত আমরা সহজ ম্যাচ পেয়েছি, এমন নয়। তবে প্যারাগুয়ে ম্যাচে অন্য রকম অভিজ্ঞতা হল।’’
তিনি আরও বলেছেন, ‘‘কাজটা সহজ ছিল না। ওরা সম্ভাব্য সব কিছুই চেষ্টা করেছে। এই আগ্রাসন নিয়ে খেললে সবকিছুই বাড়াবাড়ির পর্যায় চলে যেতে পারে। আমার মতে, এই রকম ফুটবল দেখতে দর্শকেরা মাঠে আসেন না।’’
রেফারিং নিয়েও সন্তুষ্ট নন দেশঁ। ফ্রান্সের কোচ বলেছেন, ‘‘আমি রেফারির সমালোচনা করতে চাই না। আমাদের তিন জনকে কার্ড দেখানো হয়েছে। মাঠে কিন্তু আরও অনেক কিছু ঘটেছে। আমি প্যারাগুয়েরও সমালোচনা করব না। প্রত্যেক দলের তাদের নিজেদের মতো করে খেলার স্বাধীনতা রয়েছে। তবে অপমানজনক ঘটনাগুলো না ঘটলেই ভাল হত। ম্যাচের শেষ দিকে যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যাই হোক, আসল হল আমরাই কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছি।’’
দেশঁ গুরুত্ব দিচ্ছেন কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিপক্ষ মরক্কোকেও। তিনি বলেছেন, ‘‘মরক্কো প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা দল। চার বছর আগে দোহাতেও ওদের সঙ্গে খেলেছিলাম। ওরা আফ্রিকান নেশনস কাপ জিতে এসেছে। আমাদের দলের অনেকে ক্লান্ত। কয়েক জনের হালকা চোটও রয়েছে। কয়েকটা দিন সময় পাব। এর মধ্যেই আমাদের প্রস্তুত হতে হবে।’’