FIFA World Cup 2026

গোল বাতিল বা পেনাল্টি নষ্ট নয়, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ২৬ জনের দিকে আঙুল তুললেন জার্মানির অধিনায়ক

টানা তিনটি বিশ্বকাপে ব্যর্থ জার্মানি। এ বার রাউন্ড অফ ৩২-এ প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে বাদ যেতে হয়েছে তাদের। এই হারের পর দলের সকল ফুটবলারকে দায়ী করেছেন অধিনায়ক।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬ ১৩:২২
Share:

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর হতাশ জার্মানির অধিনায়ক জোসুয়া কিমিচ। ছবি: রয়টার্স।

আরও এক ব্যর্থ জার্মানি। আরও এক বার ব্যর্থ চার বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নেরা। এই নিয়ে টানা তিনটি বিশ্বকাপে হতাশ করেছে তারা। এ বার রাউন্ড অফ ৩২-এ প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে বাদ যেতে হয়েছে তাদের। এই হারের পর দলের সকল ফুটবলারকে দায়ী করেছেন অধিনায়ক জোসুয়া কিমিচ।

Advertisement

এই হারের পর জার্মানির কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান চাপে। হারের জন্য কোচের দায় কতটা, এই প্রশ্ন করা হয়েছিল কিমিচকে। খেলা শেষে দলের অধিনায়ক বলেন, “দিনের শেষে সব দায় ফুটবলারদের। আমাদের উচিত ছিল প্যারাগুয়ের মতো একটা দলকে হারানো। ওদের ছোট করছি না। কিন্তু আপনারাও জানেন, তৃতীয় স্থানাধিকারী দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শেষে থাকা একটা দল পরের রাউন্ডে চলে গেল। আমরা পারলাম না। এই হারের জন্য দলের সকল ফুটবলার দায়ী।” কিমিচের কথা থেকে স্পষ্ট, কোচ নন, ২৬ জন ফুটবলারকেই দায়ী করেছেন তিনি।

জার্মানি-প্যারাগুয়ে ম্যাচে বিতর্ক হয়েছে একটি গোল বাতিলকে কেন্দ্র করে। অনেকের দাবি, গোলটি ন্যায্য ছিল। কিমিচ সে সব নিয়ে ভাবছেন না। তিনি নিজেদের ছাড়া কাউকে দায়ী করছেন না। জার্মানির অধিনায়ক বলেন, “রেফারিকে দায়ী করা বা টাইব্রেকারের অজুহাত দেওয়ার কোনও মানে নেই। যদি আপনি ১২০ মিনিটে জিততে না পারেন, তা হলে আপনার বেরিয়ে যাওয়াই উচিত। সব সময় ভাগ্যের উপর নির্ভর করা যায় না। আমাদের দলের যা দক্ষতা, তাতে ১২০ মিনিটের মধ্যে জিতে যাওয়া উচিত ছিল। আমরা পারিনি। দায় আমাদের।”

Advertisement

অধিনায়ক হিসাবে এই হার হজম করতে কষ্ট হচ্ছে কিমিচের। তিনি যে জার্মানিকে দেখে বড় হয়েছেন তার সঙ্গে এই দলের মিল পাচ্ছেন না। কিমিচ বলেন, “ছোটতে যে জার্মানিকে টেলিভিশনে দেখেছি, তারা সেমিফাইনাল, ফাইনালে খেলত। চ্যাম্পিয়ন হত। সেটা দেখেই তো ফুটবলার হওয়া। কিন্তু এই জার্মানিকে দেখে হতাশ লাগছে। সমর্থকেরা কত আশা নিয়ে এসেছিল। সকলকে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। তার উপর অধিনায়ক হিসাবে আমার বাড়তি দায়িত্ব ছিল। সেই দায়িত্ব সামলাতে পারিনি। অধিনায়ক হিসাবে এই হার আমার কাছে আরও বেশি কষ্টের।”

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

এ বারের বিশ্বকাপ জেতার বড় দাবিদার ছিল জার্মানি। বিশ্বকাপের আগে ভাল ফর্মে ছিল তারা। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছিল তাদের। কুরাসাওকে ৭ গোল দিয়েছিল তারা। কিন্তু গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের কাছে হেরে ধাক্কা খায় জার্মানি। লাতিন আমেরিকার আরও একটি দল প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় নিতে হল তাদের।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement