কিলিয়ান এমবাপে। ছবি: রয়টার্স।
এমনিতে বাকিদের সঙ্গে তাঁর জার্সি দেখে মনে হবে একই রকম। রং থেকে শুরু করে লোগো, সবই রয়েছে একই জায়গায়। কিন্তু কিলিয়ান এমবাপের জার্সিতে এমন একটি জিনিস রয়েছে যা বাকিদের জার্সিতে নেই। বিশ্বকাপে এমবাপেকে এই জার্সি পরার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এমবাপে গত বিশ্বকাপে সোনার বুট জিতেছিলেন। ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেও হারতে হয়েছিল। এ বার এমবাপের জার্সির ডান হাতায় সোনার বুটের একটি ছাপ রয়েছে। গত বার সোনার বুট জিতেছিলেন বলে এ বার তাঁকে জার্সিতে এই ছাপ রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচে সেই জার্সি পরেই খেলেছেন এমবাপে।
তিনি একাই নন, জার্সিতে সোনার বুটের ছাপ নিয়ে খেলতে পারেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন এবং কলম্বিয়ার জেমস রদ্রিগেজ়ও। জেমস ২০১৪-য় সোনার বুট জিতেছিলেন। হ্যারি জেতেন ২০১৮-য়। বাকি দু’জনই এখনও বিশ্বকাপে খেলতে নামেননি।
এ বারও প্রথম ম্যাচেই সোনার বুটের দৌড়ে ঢুকে পড়েছেন এমবাপে। সেনেগালের বিরুদ্ধে দু’টি গোল করেছেন। যদিও তার পরেই আর্জেন্টিনার হয়ে আলজেরিয়া ম্যাচে তিনটি গোল করেন মেসি। ফলে গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষে তিনিই। মেসি ছুঁয়ে ফেলেছেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজেকেও। এমবাপে দু’টি গোল দূরে রয়েছেন।
আজ পর্যন্ত কেউ পর পর দু’বার বিশ্বকাপে সোনার বুট জেতেননি। ২০১০ বিশ্বকাপে জার্মানির টমাস মুলার পাঁচটি গোল করে সোনার বুট জিতেছিলেন। পরের বিশ্বকাপেও পাঁচটি গোল করেন। কিন্তু একটি গোল বেশি করায় সোনার বুট ওঠে রদ্রিগেজ়ের হাতে।