— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
আর কোনও গোল করতে পারল না দুই দল। দুই প্রধানকেই মাঠ ছাড়তে হল এক পয়েন্ট নিয়ে।
ইস্টবেঙ্গলের ভুলে বল পেয়েছিল মোহনবাগান। সামনে থেকে পাওয়া বল ম্যাকলারেন সোজা মারলেন প্রভসুখনের হাতে।
অবশেষে কর্নার কাজে লাগাল মোহনবাগান। পেত্রাতোসের কর্নার প্রথম পোস্টে যাচ্ছিল। ব্যাক হেড করে বল জালে জড়ালেন কামিংস।
প্রভসুখনের লম্বা বল ইউসেফের উদ্দেশে নামিয়েছিলেন এডমুন্ড। ইউসেফ পাস দেন মিগুয়েলকে। সেখান থেকে মিগুয়েল সামনে বল বাড়িয়ে দেন এডমুন্ডের উদ্দেশে। এডমুন্ড চলতি বলেই শট মেরে গোল করলেন। কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে গিয়ে উল্লাসে মাতলেন ইস্টবেঙ্গলের ফুটহলারেরা।
ম্যাকলারেনের পাওয়া বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে বলের উপর হাত দিয়ে পড়ে যান সিবিলে। রেফারি ভেবেছিলেন ম্যাকলারেন হাত দিয়ে স্পর্শ করেছেন। কিন্তু রিপ্লে-তে দেখা গেল সিবিলে এমনিই বলের উপর হাত দিয়ে পড়ে গিয়েছিলেন। ধারাভাষ্যকারেরা জানালেন, পেনাল্টি হতেও পারত।
বক্সের বাইরে থেকে মিগুয়েলের শট বাঁচিয়ে দিলেন বিশাল। সেই বল ক্লিয়ার করতে পারেনি মোহনবাগান। আবার বল পেয়ে ইউসেফের শট বাঁচালেন মোহনবাগানের ডিফেন্ডার।
সরকারি ভাবে জানানো হল, ডার্বির দর্শকসংখ্যা ৬২,২০১।
দূর থেকে শট নিয়েছিলেন জোরেই। শুধু তা গোলের মধ্যে ছিল না। খারাপ শট নেননি লিস্টন। গোলে থাকলে গোলকিপারের কিছু করার থাকত না।
লিস্টনের কর্নার থেকে ব্যাক হিলে গোলের চেষ্টা করেছিলেন মনবীর। সফল হলেন না।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই শুভাশিস বসুর ভুলে বক্সের মধ্যে বল পেয়েছিলেন বিপিন সিংহ। সামনে গোলরক্ষক বিশাল ছাড়া কেউ ছিল না। বিপিনের শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়। এখনও গোলশূন্য খেলা।
পর পর তিনটি কর্নার পেল মোহনবাগান। কিন্তু একটিও কাজে লাগাতে পারল না তারা।
একের পর এক সহজ সুযোগ নষ্ট করছে ইস্টবেঙ্গল। বিপিনের পর এ বার সোজবার্গ। মিগুয়েল দুর্দান্ত পাস বাড়িয়েছিলেন। সোজবার্গের সামনে বিশাল ছাড়া কেউ ছিলেন না। বল নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে বিশালের হাতেই তা তুলে দিলেন সোজবার্গ। এমন সুযোগ ডার্বিতে বার বার পাওয়া যাবে না। হতাশায় মাথায় হাত কোচ অস্কারের।
মাঝমাঠ থেকে দু’-তিন জনকে কাটিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়েছিলেন। বক্সের বাইরে থেকে মারা শট গোলের অনেকটা বাইরে দিয়ে বেরিয়ে গেল।
আগের থেকে বেশি বল পায়ে রাখছেন ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলারেরা। এ দিক ও দিক ভুল পাস চলছেই। কিন্তু ম্যাচের আধিপত্য ধীরে ধীরে নেওয়ার চেষ্টা করছেন লাল-হলুদ ফুটবলারেরা। যদি প্রথম দিকে যে ঝাঁজ ছিল ম্যাচে তা আর নেই।
বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নিয়েছিলেন অনিরুদ্ধ। ঝাঁপিয়ে পড়ে তা বাঁচিয়ে দিলেন প্রভসুখন।
যে সুযোগটি নষ্ট করলেন বিপিন তা সহজে ভুলতে পারবেন না। জিকসনের থ্রু বল পেয়েছিলেন। সামনে স্রেফ একা গোলকিপার ছিলেন। বেশি সময় নিয়ে এবং বেশি কাটাতে গিয়ে গোলে শটই নিতে পারলেন না। খুবই খারাপ প্রয়াস।
তিনি গতি দিয়ে মাঝমাঠকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের বেশির ভাগ সময় কেটে যাচ্ছে মোহনবাগানের আক্রমণ সামলাতে।
মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণ শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল। বক্সের বাইরে থেকে মারা সোজবার্গের শট লাগল পোস্টে। হালকা ছোঁয়া লেগেছিল অলড্রেডের।
লাল-হলুদের থেকে বল কেড়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন শুভাশিস। পাস দিয়েছিলেন সাহালকে। সাহাল শট মারার আগেই ইস্টবেঙ্গলের এক ফুটবলার বল ক্লিয়ার করে দিলেন।