ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তাঁবু। —ফাইল চিত্র।
আইএসএলের সূচি ঘোষণার পর থেকে মাঠের সমস্যায় পড়েছিল ইস্টবেঙ্গল। যা পরিস্থিতি ছিল, তাতে যুবভারতীতে খেলার সম্ভাবনা কমছিল লাল-হলুদের। কিন্তু সেই সমস্যা অবশেষে মিটেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে স্বস্তিতে ইস্টবেঙ্গল। যুবভারতীতেই খেলবে তারা। এমনটাই জানিয়েছেন লাল-হলুদ কর্তা দেবব্রত সরকার।
আইএসএলের সূচি ঘোষণার পর ইস্টবেঙ্গলের ইনভেস্টর ইমামি চাইছিল, কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে সব ম্যাচ খেলতে। তার একটাই কারণ, খরচ। যুবভারতীতে ম্যাচ পিছু যে টাকা দিতে হয়, কিশোর ভারতীয় স্টেডিয়ামে তার তুলনায় কম খরচে খেলা হত। যে হেতু এই মরসুমে আইএসএল ছোট করে হচ্ছে, তাই খরচ কমাতে চেয়েছিল তারা।
কিন্তু ইমামির এই সিদ্ধান্তে আপত্তি ছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কর্তাদের। এর আগে দেবব্রত জানিয়েছিলেন, কিশোর ভারতীতে দর্শকাসন কম। ফলে সকল সদস্যকে টিকিট দেওয়া সম্ভব নয়। যদি সমর্থকেরা মাঠে যেতে না পারেন, তা হলে কর্মসমিতির সদস্যেরাও যাবেন না বলে জানিয়েছিলেন দেবব্রত। তার পরেও অনড় ছিলেন ইমামি কর্তারা।
এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয় ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবার একটি ভিডিয়োবার্তায় দেবব্রত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ফুটবলপ্রেমীরা সুখবর পাচ্ছেন। ইস্টবেঙ্গলকে নিখরচায় যুবভারতীতে খেলার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য সরকার। ফলে আমাদের মাঠের সমস্যা মিটেছে। আমি সমর্থকদের অনুরোধ করব, দলে দলে মাঠ ভরাতে।” পাশাপাশি ইমামি কর্তাদেরও একটি বার্তা দিয়েছেন দেবব্রত। মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তের পর যুবভারতীতেই যাতে ম্যাচ আয়োজন করা হয়, তার বন্দোবস্ত ইনভেস্টরকে করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এ বারের আইপিএল। সময় কম থাকায় ছোট করে হচ্ছে প্রতিযোগিতা। প্রতিটি দল ১৩টি করে ম্যাচ খেলবে। ১৬ ফেব্রুয়ারি নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ইস্টবেঙ্গল। যুবভারতীতে হবে সেই ম্যাচ। ৩ মে হবে এ বারের আইএসএলের একমাত্র ডার্বি। সে দিন মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে লাল-হলুদ।