জন ম্যাকগিন। ছবি: রয়টার্স।
স্কটল্যান্ড - ১ (ম্যাকগিন)
হাইতি - ০
৩৬ বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপে জয় পেল স্কটল্যান্ড। ২৮ বছর পর মূলপর্বে খেলার সুযোগ পেয়ে প্রথম ম্যাচেই জয় ছিনিয়ে নিল স্টিভ ক্লার্কের দল। হাইতিকে স্কটিশেরা হারাল ১-০ ব্যবধানে। সমানে সমানে লড়াই হল দু’দলের। স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় হারল হাইতি। বলাই যায়, এই ফল খেলার আসল প্রতিফলন নয়।
শেষ বার ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি স্কটল্যান্ড। এর আগে বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচ জেতা স্কটিশেরা তাদের পঞ্চম জয় তুলে নিল এ বার প্রথম ম্যাচেই। স্কটিশদের জয়ের নায়ক জন ম্যাকগিন। তবে দারুণ আশাবাদী হওয়ার মতো ফুটবল উপহার দিতে পারেননি তাঁরা। বল দলের লড়াইয়ে পাল্লা দিয়েছে দু’দলই। মাঝ মাঠের দখল তুলনায় বেশি ছিল হাইতির। বেশি আক্রমণও করেছে লাতিন আমেরিকার দ্বীপ রাষ্ট্রটি। মূলত স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় পয়েন্ট পেল না হাইতি।
ফুটবল বিশ্বে কুলীন দেশগুলির মধ্যে পড়ে না হাইতিও। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার বিশ্বকাপের মূলপর্বে প্রশান্ত মহাসাগরের দেশটি। ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচই হেরেছিল তারা। এ বারও প্রথম ম্যাচে হার। অর্থাৎ বিশ্বকাপের মূলপর্বে এখনও জয়ের স্বাদ পায়নি তারা। স্ট্রাইকারেরা সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক ফুটবল রাত উপহার দিতে পারতেন। কিন্তু হল না। একাধিক বার স্কটল্যান্ডের ডিফেন্স ভেঙেও কাজের কাজ করতে পারেননি হাইতির ফুটবলারেরা।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রথম বার মুখোমুখি হয়েছিল দু’দেশ। ম্য়াচের গতির বিপরীতেই ২৮ মিনিটে গোল পেয়ে যায় স্কটিশেরা। প্রতি আক্রমণ থেকে ভাল জায়গায় বল পেয়ে দলকে এগিয়ে দেন ম্যাকগিন। ৪২ বছর পর বিশ্বকাপ খেলতে আসা হাইতি সমতা ফেরানোর মতো বেশ কয়েকটি পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। দলের মাঝমাঠ এবং রক্ষণের মতো আক্রমণ ভাগকেও আত্মবিশ্বাসী দেখালে ৩ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারত তারা।
বিশ্বকাপে ভাল কিছু করতে হলে দু’দলকেই অনেক উন্নতি করতে হবে। আরও কার্যকরী ফুটবল খেলতে হবে। অফ দ্য বল মুভনেন্ট, পাসিংয়ের ক্ষেত্রে উন্নতি দরকার। আক্রমণে আরও বৈচিত্র্য প্রয়োজন। বাড়াতে হবে বোঝাপড়াও।