ডিক অ্যাডভোকাট। — ফাইল চিত্র।
ম্যাচ তখনও শুরু হয়নি। জার্মানির কাছে সাত গোলের প্রথমটি খেতে তখনও অনেক দেরি। হঠাৎই কুরাসাওয়ের ডাগআউটে বসে থাকা কোচ ডিক অ্যাডভোকাটকে কাঁদতে দেখা গেল। একটি রুমাল দিয়ে ঘন ঘন চোখ মুছছিলেন। কেন কুরাসাওয়ের কোচ কেঁদে ফেললেন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যে পথ পেরিয়ে বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছে কুরাসাও, সেটা ভেবেই হয়তো আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। দেড় লক্ষের দেশ কুরাসাওকে বিশ্বকাপে তোলার নেপথ্যে আসল কারিগর অ্যাডভোকাটই। ২০২৪-এ দায়িত্ব নেওয়ার পর সে দেশের ডাচ ফুটবলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।
কুরাসাও দীর্ঘ দিন ডাচদের উপনিবেশ ছিল। ফলে সে দেশের বেশির ভাগ মানুষই ডাচ। অ্যাডভোকাট নিজেও নেদারল্যান্ডসের। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ফুটবলারদের অ্যাডভোকাট অনুরোধ করেন কুরাসাওয়ের হয়ে খেলার জন্য। সেই অনুরোধে কাজ হয়। অনেকেই কুরাসাওয়ের হয়ে খেলতে রাজি হয়ে যান।
কনকাকাফের যোগ্যতা অর্জন পর্ব পেরিয়ে শেষমেশ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করে কুরাসাও। জার্মানির বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে সমতাও ফিরিয়েছিল তারা। তবে পরে ছ’টি গোল খায়।
যদিও এখনই ভেঙে পড়তে রাজি নন অ্যাডভোকাট। তিনি বলেছেন, “জার্মানি বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী দল। আমরা জানতাম লড়াই কঠিন হবে। স্কোরলাইন দেখে খুব হতাশ ঠিকই। কিন্তু এত বড় দলের বিরুদ্ধে হারে কোনও লজ্জা নেই। আমাদের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে নিজেদের উন্নতি করে যেতে হবে। এটা প্রথম বিশ্বকাপ। বাকি ম্যাচগুলিতে খেলার জন্য অনেক সময় বাকি।”