বৈরিতার আগুনে ইতিহাস

জানুয়ারি ২০১০। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে সহবাগের বোমা— বাংলাদেশ অতি সাধারণ দল। ওরা আমাদের হারাতে পারবে না কারণ ওদের কুড়ি উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা নেই। বাংলাদেশ কোচ জেমি সিডন্সের পাল্টা: সহবাগের মাইক থেকে দূরে থাকা উচিত।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০৬ মার্চ ২০১৬ ০৪:০২
Share:

সহবাগ বোমা

Advertisement

জানুয়ারি ২০১০। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে সহবাগের বোমা— বাংলাদেশ অতি সাধারণ দল। ওরা আমাদের হারাতে পারবে না কারণ ওদের কুড়ি উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা নেই। বাংলাদেশ কোচ জেমি সিডন্সের পাল্টা: সহবাগের মাইক থেকে দূরে থাকা উচিত।

নো বল নিয়ে ক্ষোভ

Advertisement

মার্চ ২০১৫। নো বলের সিদ্ধান্ত রোহিত শর্মার পক্ষে যাওয়া এবং মাহমুদউল্লাহকে আউট দেওয়া— বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে হারের পর এই দুই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেটে পড়ে বাংলাদেশ জনতা। বলা হয়, ভারত এবং আম্পায়ার মিলে বাংলাদেশকে হারিয়েছে। তৎকালীন আইসিসি প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশের মোস্তাফা কামাল হুমকি দেন, ঘটনার প্রতিবাদে তিনি পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা বলেন, ‘‘যা হয়েছে সেটা সবাই দেখেছে। আমি আর কী বলব?’’

ধোনির ধাক্কা ও মওকা মওকা

জুন ২০১৫। ভারতের বাংলাদেশ সফরের শুরু থেকেই যুদ্ধের মেজাজে ছিল ওপার বাংলা। ভারতীয়দের ব্যাঙ্গ করে ভিডিও ছাড়া হয়, ধোনিদের সিরিজ হারিয়ে গ্যালারিতে টিটকিরি— মওকা মওকা। বিশ্বকাপের সময় যা ভারতের প্রচারে ব্যবহৃত হয়েছিল। প্রথম ওয়ান ডে থেকেই উত্তেজনা চরমে ছিল। যখন রান নিতে গিয়ে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা মেরে বসেন ধোনি। ভারত অধিনায়কের ৭৫ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা হয়। মুস্তাফিজুরের ৫০ শতাংশ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement