Jaspal Rana

মাত্র ৪৯ বছর বয়সে প্রয়াত ভারতের অন্যতম সেরা শুটার যশপল রানা, কোচহারা মনু ভাখর

কিছু দিন আগে মিউনিখ বিশ্বকাপ থেকে দেশে ফেরার সময় বিমানে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন যশপল রানা। দিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রাক্তন অলিম্পিয়ান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ১০:০৬
Share:

যশপাল রানা। —ফাইল চিত্র।

প্রয়াত যশপল রানা। ভারতের অন্যতম সেরা শুটারের বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। অবসরের পর জাতীয় দলের কোচও হন। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (এনআরএআই)। গত কয়েক বছর তিনি ছিলেন অলিম্পিক্স পদকজয়ী মানু ভাখরের কোচ।

Advertisement

মিউনিখ শুটিং বিশ্বকাপ থেকে দেশে ফেরার সময় বিমানে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন রানা। দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রাক্তন অলিম্পিয়ান। শুক্রবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকেরা একটি স্টেন্ট বসিয়ে ছিলেন। কিছু দিন পর আরও একটি স্টেন্ট বসানোর কথা ছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের সেই সময় দিলেন না এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী শুটার।

ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠছিলেন রানা। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, কয়েক পর তাঁকে ছুটি দেওয়া হতে পারে। কিন্তু শুক্রবার সকালে আবার হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন প্রাক্তন শুটার। তাঁর ভাই বলেছেন, ‘‘মিউনিখে শুটিং বিশ্বকাপের সময় বুকে ব্যথা অনুভব করে দাদা। ভেবেছিল গ্যাসের সমস্যা। তেমন গুরুত্ব দেয়নি। দেশে ফেরার সময় বিমানে আবার বুকে অস্বস্তি শুরু হয়। তার পরই এখানে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল।’’

Advertisement

এক সময় বিশ্বের অন্যতম সেরা শুটার রানা নতুন করে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন ২০২৪ সালের অলিম্পিক্সের সময়। প্যারিসে জোড়া পদকজয়ী মনুর কোচ হিসাবে তাঁকে নিয়েও হইচই শুরু হয়। ভারতীয় শুটিংয়ের হাই পারফম্যান্স কোচ হিসাবে কাজ করা রানার হাত ধরে উঠে এসেছেন বেশ কয়েকজন সেরা মানের শুটার। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন সৌরভ চৌধরি, অনীশ ভানওয়ালা, চিঙ্কি যাদবের মতো শুটারেরা। ২০১২ সালে কোচিং শুরু করেন।

খেলোয়াড় হিসাবে অর্জুন পুরস্কার পাওয়ার পাশাপাশি কোচ হিসাবে দ্রোণাচার্য পুরস্কারও পেয়েছেন রানা। ১৯৭৬ সালের ২৮ জুন উত্তরাখণ্ডে জন্ম তাঁর। ১৯৯৪ সালে প্রথম বার দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। সে বছর মিলানে আয়োজিত জুনিয়র বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছিলেন। এশিয়ান গেমসে ২৫ মিটার সেন্টার ফায়ার পিস্তলে সোনা জেতেন। ২০০৬ সালের দোহা এশিয়ান গেমসে তিনটি সোনা জিতে নজর কাড়েন। একটি ইভেন্টে বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক স্তরে ১৫টি পদক রয়েছে তাঁর। তার মধ্যে ৯টি সোনার। মাত্র ১৮ বছর বয়সে অর্জুন হন। পরে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানও দেয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement