আত্মবিশ্বাসী: নাইটদের হারিয়ে মেজাজে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ফাইল চিত্র
এই মরসুমে রাইজিং পুণে সুপারজায়ান্টের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অভিজ্ঞতাটা মোটেই সুখকর হয়নি। লিগ পর্বে দু’বার আর প্লে অফে একবার— পুণের চ্যালেঞ্জের সামনে পিছু হঠতে হয়েছে মুম্বইকে। ভাগ্য রোহিত শর্মাদের আরও একটা সুযোগ দিচ্ছে। আরও একবার পুণেকে সামনে পাচ্ছে ওরা। আর পাচ্ছে এমন একটা ম্যাচে, যেখানে জিতলে লোকে ভুলে যাবে অতীতে কী হয়েছিল।
আগের যুদ্ধগুলোয় কোনও না কোনও শক্তি উঠে এসে মুম্বইকে থামিয়ে দিয়েছে। প্রথম ম্যাচে স্টিভ স্মিথ হঠাৎ বাইশ গজে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল। অবিশ্বাস্য সব শট খেলল। আর একটা ম্যাচে গোটা দু’য়েক ওভারের জন্য মহেন্দ্র সিংহ ধোনি তাঁর পুরনো মেজাজকে বার করে এনে খেলাটাকে ঘুরিয়ে দিল। রবিবার রাতে মুম্বইকে খেয়াল রাখতে হবে, এই রকম কোনও শক্তি উঠে এসে যেন আবার ওদের পার্টি নষ্ট না করে দেয়।
মুম্বই একটা ব্যাপারে ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিতে পারে। বেন স্টোকস এবং ইমরান তাহির, দু’জনের কেউই ফাইনালে নামছে না। স্টোকসের পিছনে যে অর্থ খরচ করা হয়েছে, সেটা পুরোপুরি পাওয়ার যোগ্য ইংরেজ অলরাউন্ডার। যখনই দরকার হয়েছে, হয় ব্যাটে না হয় বলে, অবদান রেখে গিয়েছে স্টোকস। যখনই কোনও জুটি জমে যেতে শুরু করেছে, তাহির এসে উইকেট তুলে নিয়েছে। এই দু’জনের অভাব টের পাব না, এটা পুণের পক্ষে বলা সম্ভব নয়।
গত সপ্তাহে দেখা গিয়েছে, কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছে মুম্বই। দু’টো নাম মাথায় চলে আসছে। অম্বাতি রায়ডু এবং মিচেল জনসন। মুম্বই টিমটার পক্ষে একটা ব্যাপার যাচ্ছে। যশপ্রীত বুমরা আর লাসিথ মালিঙ্গাকে শেষ দিকে মারা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আইপিএলের শেষ দিকে এসে দেখা যাচ্ছে, রান খুব একটা বেশি উঠছে না। উইকেট স্ট্রোক খেলার পক্ষে উপযুক্ত নয়। তাই এ রকম লো স্কোরিং ম্যাচে ওদের ফর্মটা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে।
ক্রিকেট ভক্তরা অবশ্যই একটা টানটান লড়াই দেখতে চাইবে। এরাই তো সেই গ্ল্যাডিয়েটর, যারা সামনে যাকে পেয়েছে বধ করে এগিয়ে গিয়েছে। এখন আর রণভূমি থেকে পালিয়ে যাওয়ার উপায় নেই। বিশ্ব তোমাদের দেখছে।