শিল্ডের শেষ চারে জুনিয়র ইস্টবেঙ্গল

নতুন রূপে আইএফএ শিল্ড। পুরনো আইএফএ সেই পুরনো রূপেই! শুক্রবারের তাপপ্রবাহে তখন চলছে অনূর্ধ্ব-১৯ শিল্ডের ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গল বনাম ওড়িশা অ্যাকাডেমির। প্রায়শই চোট পাচ্ছেন ফুটবলাররা। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল মাঠের ধারে একটাই স্ট্রেচার। অর্থাত্ দু’জন ফুটবলার চোট পেলেই হিমশিম খেতে হচ্ছিল মেডিক্যাল ইউনিটকে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০১৫ ০৩:৪০
Share:

নতুন রূপে আইএফএ শিল্ড। পুরনো আইএফএ সেই পুরনো রূপেই! শুক্রবারের তাপপ্রবাহে তখন চলছে অনূর্ধ্ব-১৯ শিল্ডের ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গল বনাম ওড়িশা অ্যাকাডেমির। প্রায়শই চোট পাচ্ছেন ফুটবলাররা। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল মাঠের ধারে একটাই স্ট্রেচার। অর্থাত্ দু’জন ফুটবলার চোট পেলেই হিমশিম খেতে হচ্ছিল মেডিক্যাল ইউনিটকে। ইস্টবেঙ্গলের সুরজিত্ রায় যেমন চোট পেয়েও অনেকক্ষণ মাঠের ধারেই পড়ে থাকলেন। ম্যাচ কমিশনার থেকে অনুমতি নিয়ে তাঁকে স্ট্রেচারে তোলা হয়। সঙ্গে আবার এই দাবদাহে দুপুর সওয়া তিনটেয় ম্যাচ! ইস্টবেঙ্গল জুনিয়র দলের কোচ তরুণ দে বললেন, ‘‘অনেক বার আবেদন জানিয়েছিলাম ম্যাচ পিছনোর জন্য। এ রকম গরমে খেলে ফুটবলাররা অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’’ এ দিনও ঠিক তাই হল। ওয়ার্ম আপ করতে করতেই চোট পেলেন মৈনাক দেব। গোল করেও হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেতে হয় সুরজিত্ রায়কে। যদিও তাঁর গোলেই ১-০ জিতে ইস্টবেঙ্গল সেমিফাইনালে পৌঁছল। অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়ের ক্রসে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন সুরজিৎ। নতুন প্রতিভা খুঁজতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন বাংলা কোচ শিশির ঘোষ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement