মেয়ে জিভাকে নিয়ে সস্ত্রীক ধোনি।—ফাইল চিত্র।
এ বারের জন্মদিনটা একেবারে অন্য রকমের অনুভূতি এনে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটের এই নায়কের কাছে। ক্রিকেট পিচে বহু স্মরণীয় জয়গাথার জন্ম দিয়েছেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। কিন্তু, মেয়ে জিভার উপস্থিতিতে সেগুলি বোধহয় খানিকটা ফিকে হয়ে গিয়েছে। পাঁচ মাসের মেয়ের পিতা হিসাবে ধোনির প্রথম জন্মদিনটা তাই একটু অন্য রকম আনন্দের! সতীর্থদের সঙ্গে মুখে কেক মেখে নয়, মঙ্গলবার ধোনি নিজের ৩৪তম জন্মদিন পালন করলেন পরিজনদের সঙ্গে অনাড়ম্বর ভাবে।
১৯৯৯-২০০০ সালে বিহারের হয়ে রঞ্জি অভিষেক করেন ধোনি। ২০০৪-এ প্রথম একদিনের ম্যাচ খেলার পর ধোনিকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। রাঁচির ক্রিকেট আঙিনা ছাড়িয়ে গত এক দশকে বিশ্ব ক্রিকেটের স্টার। ঈর্ষণীয় সফর হলেও বরাবরই মাটির কাছাকাছি থেকেছেন ধোনি। মাঠে এবং মাঠের বাইরে ভারতীয় ক্রিকেটকে ভরসা জুগিয়েছে ক্যাপ্টেন কুলে’র উপস্থিতি।
একদিনের ম্যাচ খেলার এক বছরের মধ্যেই ২০০৫-এ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলার ডাক আসে। দেশের জার্সিতে উইকেটের সামনে-পিছনে তাঁর নির্ভরযোগ্য উপস্থিতিতে বহু অবিস্মরণীয় জয় এনেছে ভারত। অধিনায়ক হিসাবে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে দেশকে টানা ১৮ মাস এক নম্বর পজিসনে রাখার কৃতিত্ব রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। পরিসংখ্যানের দিক থেকে সেরা ভারত অধিনায়কের রেকর্ড রয়েছে তাঁর। তাঁর অধিনায়কত্বেই এশিয়া কাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, টি-টোয়েন্টি-সহ বহু খেতাব জেতে ভারত। ২০১১-তে মুম্বইয়ের মাটিতে আইসিসি বিশ্বকাপের খেতাব জেতা বোধহয় ধোনির ক্রিকেট কেরিয়ারের সেরা প্রাপ্তি। নাম-যশের সঙ্গে অর্থনৈতিক দিকেও কম রেকর্ড গড়েননি। বিশ্বের সবচেয়ে রোজগেরে অ্যাথলিটদের তালিকায় ২৩ নম্বরে রয়েছেন ধোনি— এমনটাই গত মাসে জানিয়েছে ফোর্বস পত্রিকা।
এ দিন তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে ভারতীয় বোর্ড বিসিসিআই। সতীর্থ-সহ অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে উঠেছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট।