তারাদের ম্লান করলেন পারিয়া

একেবারে সার্জিকাল স্ট্রাইক! শেষ হোল-এ গল্ফ ক্লাবের টোকায় বল গড়িয়ে গর্তে পড়েছে সবে। প্রায় হারেরেরে করে ছুটে গিয়ে চ্যাম্পিয়নের মাথায় বিয়ার ঢেলে স্নান করালেন ওঁরা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ০২:৫৮
Share:

ট্রফি নিয়ে চ্যাম্পিয়ন।

একেবারে সার্জিকাল স্ট্রাইক!

Advertisement

শেষ হোল-এ গল্ফ ক্লাবের টোকায় বল গড়িয়ে গর্তে পড়েছে সবে। প্রায় হারেরেরে করে ছুটে গিয়ে চ্যাম্পিয়নের মাথায় বিয়ার ঢেলে স্নান করালেন ওঁরা। পারিয়া জুনহাসাভাসদিকুল কিছু বুঝে ওঠার আগেই।

ম্যাকলিয়ড রাসেল গল্ফে ইতিহাস গড়ে প্রথম বিদেশি চ্যাম্পিয়ন পরে চোখ গোল করে বললেন, ‘‘আমি তো শক্ড! বুঝেছিলাম এটা শিবের কাণ্ড।’’ মানে শিব কপূর। ২০০২-এ এশিয়ান গেমস সোনা ও অর্জুন জয়ী ভারতীয় তারকাই গেরিলা আক্রমণের নেতৃত্বে। মার্কিন মুলুকের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ে রুমমেট ছিলেন দু’জনে। জমাট দোস্তি সেই থেকেই। পারিয়া বললেন, ‘‘আমার কলকাতায় খেলতে আসা শিবের কথাতেই।’’ তাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও জাপানের গল্ফারদের জুটিয়ে সফল অপারেশন বিয়ার-স্নানের পর শিব কপূরের মুখে চওড়া হাসি। বলে দিলেন, ‘‘পারিয়ার জন্য আমি ভীষণ খুশি। প্রথম দিন থেকেই ও রাশটা নিজের হাতে রেখে দিয়েছিল। কেউ ধারে কাছে এল না।’’ সত্যিই তাই। জীভ মিলখা সিংহ থেকে শিবশঙ্কর প্রসাদ চৌরাসিয়া, গগনজিৎ ভুল্লাড়—তারাদের ভীড়ে ট্রফি নিয়ে গেলেন ‘এশিয়ার গল্ফ রাজধানী’ তাইল্যান্ডের ছেলে। যাঁর ঝুলিতে এশীয় ট্যুরের দু’টি খেতাব।

Advertisement

পনেরো-আন্ডার ২৭৩ স্কোর করা পারিয়ার হাতে উঠল বিজয়ীর সাড়ে বাইশ লক্ষের চেক আর ট্রফি। তাঁর গতকালের চ্যালেঞ্জার রশিদ খান তিন শটে হেরে রানার্স। অবশ্য রানার্সের পনেরো লক্ষের চেক দিল্লির ছেলেকে ভারতীয় ট্যুর চ্যাম্পিয়ন করল। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার পেলেন সম্মানটা। বলছিলেন, ‘‘মোটর বাইক দুর্ঘটনা, তার পর খাদ্যে বিষক্রিয়া আর কব্জির চোটে বছরটা ভাল যাচ্ছিল না। ট্যুর জিতে আত্মবিশ্বাস বাড়ল।’’

পারিয়া আবার দাবি করলেন, শেষ রাউন্ডে গগনজিৎ ভুল্লাড় আর শিবশঙ্কর প্রসাদ চৌরাসিয়া দারুণ চাপে ফেলেছিলেন। দুই ভারতীয় অবশ্য থামলেন যুগ্ম তৃতীয় হয়ে। নয়-আন্ডার ৬৩ করে রশিদের কোর্স রেকর্ড স্পর্শ করলেন শামিম খান।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement