ওয়ান ডে-তে ব্যাঘ্রবাহিনীর দাপুটে বিচ্ছুরণ

দুঃসংবাদটা জানতে পেরেছেন অনেকেই। আইসিসি-র ক্রীড়াসূচির ফেরে এক বছর ওয়ান ডে ক্রিকেট আঙিনায় নেই বাংলাদেশ। গত ১১ নভেম্বর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে খেলার পর চলতি বছরে তাদের প্রথম ওয়ান ডে হবে নভেম্বরে। খবরটা শোনামাত্রই যারপরনাই অবাক ক্রিকেট ফ্যানেরা। ওয়ান ডে ক্রিকেটে বাংলার বাঘেদের রেকর্ড কিন্তু সত্যিই ঈর্ষণীয়।

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১৫:২২
Share:

দুঃসংবাদটা জানতে পেরেছেন অনেকেই। আইসিসি-র ক্রীড়াসূচির ফেরে এক বছর ওয়ান ডে ক্রিকেট আঙিনায় নেই বাংলাদেশ। গত ১১ নভেম্বর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে খেলার পর চলতি বছরে তাদের প্রথম ওয়ান ডে হবে নভেম্বরে। খবরটা শোনামাত্রই যারপরনাই অবাক ক্রিকেট ফ্যানেরা। ওয়ান ডে ক্রিকেটে বাংলার বাঘেদের রেকর্ড কিন্তু সত্যিই ঈর্ষণীয়। গত এক বছরে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে চমকপ্রদ উত্থান। ঘরের মাঠে একের পর এক ক্রিকেট শক্তিকে ধরাশায়ী করেছে ব্যাঘ্রবাহিনী। সেই তাদেরই কিনা সুযোগ মিলবে না গোটা একটি বছর!

Advertisement

২০১৫-তে প্রায় প্রতি মাসেই একের পর এক ওয়ান ডে টিমকে হারিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। শুরুটা হয়েছিল বিদেশের মাটিতে আইসিসি বিশ্বকাপে। বাঘা বাঘা দলকে হারিয়ে ওয়ান ডে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছিল তারা। এর পর ঘরের মাঠে জিম্বাবোয়ে, পাকিস্তান, ভারত এবং অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সিরিজ। বিশ্ব মানচিত্রে নিজেদের উপস্থিতি এ ভাবেই জানান দিয়েছিলেন বাংলার বাঘেরা। ২০১৫-র সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইসিসি-র ওয়ান ডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ উঠে এসেছে ৭ নম্বরে। একটার পর একটা মাইলফলক তৈরি করেছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: এক বছর ওয়ান ডে ক্রিকেট খেলতেই পারবে না বাংলাদেশ!

Advertisement

মাশরাফি মোর্তাজার নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ যে গ্রুপ লিগেই বিদায় নেবে— এমনটা বলেছিলেন অধিকাংশ বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু, সমস্ত ভবিষ্যৎ বাণী উড়িয়ে তারা পৌঁছয় শেষ আটে। আফগানিস্তান, স্কটল্যান্ডের মতো দলকে হারিয়ে প্রথম বড় চমক দিয়েছিল অ্যাডিলেডে। মাহমুদ্দুলাহর সেঞ্চুরি, মুশফিকুর রহমানের হাফ সেঞ্চুরি এবং রুবেল হোসেনের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সৌজন্যে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ আটের টিকিট পায় তারা। একই সঙ্গে ইংল্যান্ডকেও টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দেয় ব্যাঘ্রবাহিনী। শেষ আটে যথেষ্ট লড়াই দিলেও ধোনিদের হাতে পরাস্ত হয় তারা। বিশ্বকাপের এই পারফর্ম্যান্সের পর এ বার ঘরের মাঠে অপেক্ষা করছিল আরও বড় চমকের। সফররত জিম্বাবোয়েকে ৫-০ হারিয়ে ব্রাউনওয়াশ করা। এখানেই শেষ নয়। নিজেদের মাঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতে নেয় বাংলাবাহিনী। সেটা যে ফ্লুক নয়, তা প্রমাণ হয় পরের সিরিজে। দু’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত প্রথম বার বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হারিয়ে দেশে ফেরে। চমকের আরও বাকি ছিল। ‘আইসিং অন দ্য কেক’ হয় যখন দক্ষিণ আফ্রিকাকেও ধুলোয় মিশিয়ে ওয়ান ডে সিরিজ জেতে বাঘবাহিনী। রুবেল-সাকিব-তামিম-মুস্তাফিজুর-সোম্যরা বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেন!

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement