ফকনার অনিশ্চিত
গত সপ্তাহে চোট লাগার পর বিশ্বকাপের গোড়ার দিকে জেমস ফকনার অনিশ্চিত, আশঙ্কা ছিলই। এখন আবার অস্ট্রেলীয় পেসার ঠিক কত দিনে ম্যাচে ফিরতে পারবেন সেটা নিয়ে ধোঁয়াশা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। পেটের পেশির যে চোটে ফকনার ভুগছেন তা কাটিয়ে ঠিক কবে তাঁকে দলে পাওয়া যাবে সে ব্যাপারে অজি টিমের ফিজিওরাও কিছু বলতে পারছেন না। অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম নির্বাচক মার্ক ওয় আবার বলছেন, ‘ওর সুস্থ হতে চার সপ্তাহ লাগতে পারে’। সেটা হলে ইংল্যান্ড আর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অজিদের বিশ্বকাপের প্রথম দুটো ম্যাচে তো বটেই ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচেও অনিশ্চিত হয়ে পড়বেন তিনি।
আমলাদের জয়
কোমরের পেশিতে অস্বস্তি হওয়ায় বিশ্রাম নিয়েছিলেন এবি ডে’ভিলিয়ার্স। তাতেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে পারল না শ্রীলঙ্কা। প্রস্তুতি ম্যাচে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের টিমকে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে পাঁচ উইকেটে (ডাকওয়ার্থ-লুইস) হারাল প্রোটিয়ারা। ডেল স্টেইন (০-৪০), মর্নি মর্কেলদের (০-৪০) বিরুদ্ধে তিলকরত্নে দিলশান (১০০), ম্যাথুজদের (৫৮) ব্যাটের জোরে ৪৪.৪ ওভারে ২৭৯-৭ তোলে শ্রীলঙ্কা। বৃষ্টির জন্য প্রোটিয়াদের পরিবর্তিত টার্গেট দু’বার বদলাতে হয়। শেষ পর্যন্ত ২৪.৩ ওভারে ১৮৮-৫ তুলে জিতে যান আমলারা। শেষ ওভারে দীর্ঘদিন পর চোট থেকে ফেরা লাসিথ মালিঙ্গার ওভারে চার রান প্রয়োজন ছিল আমলাদের। কিন্তু বিশ্বের অন্যতম সেরা ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ ফিলান্ডারদের রুখতে পারেননি।
ক্রিকেটের বালোতেলি। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল। সোমবার। ছবি: এএফপি
ওকসের দাপট
বিশ্বকাপে নামার আগে প্রয়োজনীয় আত্মবিশ্বাসটা পেয়ে গেল ইংল্যান্ড। চলতি মাসের গোড়ায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল ইংরেজরা। সেই ধাক্কা কাটিয়ে দলকে ছন্দে ফেরালেন ক্রিস ওকস। সোমবার প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওকসের (৫-১৯) স্যুইং বোলিংয়ের দাপটে ইংল্যান্ড জিতল ৯ উইকেটে। ওকস-স্টিভন ফিন (২-৩৪) জোড়া ফলার সামনে ২৯.৩ ওভারে ১২২ রানে থেমে যায় ক্যারিবিয়ান ইনিংস। ক্রিস গেইল (০) তিন বলের বেশি টিকতে পারেননি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মইন আলির (৪৬) উইকেট হারিয়ে জিতে যায় ইংল্যান্ড।
পাকিস্তানের স্বস্তি
চোটের থাবায় বিধ্বস্ত পাক শিবিরে স্বস্তির হাওয়া। স্বস্তি প্রস্তুতি ম্যাচে সোমবার বাংলাদেশকে তিন উইকেটে হারানোর। উমর গুল, জুনেইদ খানদের অনুপস্থিতিতে মহম্মদ ইরফানের পেস বোলিং (৫-৫২) ভরসা দিতে পারে মিসবা উল হকদের। যার দাপটে তামিম ইকবাল (৮১) আর মাহমুদুল্লাহর (৮৩) বড় রানের পরও ২৪৬ থেমে যায় বাংলাদেশ। জবাবে দু’ওভার বাকি থাকতেই জিতে যায় পাকিস্তান। অবশ্য আহমেদ শেহজাদ, সরফরাজ আহমেদের ওপেনিং জুটি এ দিন ব্যর্থ। তবে মিডল অর্ডারে শোয়েব মাকসুদের (৯৩ ন.আ) ব্যাটিং সেই ব্যর্থতা বুঝতে দেয়নি।