—প্রতীকী চিত্র।
রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমবাঙালির হেঁশেলে আগুন! জ্বালানির খরচ কমাতে কেউ ঝুঁকেছেন ওটিজির দিকে। কারও আবার পছন্দ এয়ার ফ্রায়ার। এই দু’য়ের মধ্যে কোনটা কেনা বেশি লাভজনক? কার দাম তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই কম? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।
ওটিজি অর্থাৎ অভেন-টোস্টার-গ্রিলারের সঙ্গে এয়ার ফ্রায়ারের যে বিরাট কোনও মূলগত পার্থক্য রয়েছে, এমনটা নয়। বিশেষজ্ঞদের বড় অংশই মনে করেন দর বাড়াতে দুর্দান্ত ভাবে বিজ্ঞাপন চালিয়ে যাচ্ছে এয়ার ফ্রায়ারের নির্মাণকারী যাবতীয় সংস্থা। এতে স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করা যায় বলেও চলছে প্রচার।
কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে এয়ার ফ্রায়ারকে ছোট আকারের অভেন বলা যেতে পারে। এর ভিতরে সব সময় বইতে থাকে গরম বাতাস। সেই তাপেই খাবার বানিয়ে থাকেন ব্যবহারকারী। এই প্রযুক্তির সঙ্গে কনভেকশনাল অভেন প্রযুক্তির হুবহু মিল রয়েছে। অমিল কেবলমাত্র দামে।
প্রযুক্তি নতুন না হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এয়ার ফ্রায়ারের দাম বেড়েছে তিন গুণ। বর্তমানে এর মূল্য ৬,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। তবে বিশেষজ্ঞেরা মনে করেন, বাড়িতে ওটিজি থাকলে এয়ার ফ্রায়ার কেনার কোনও মানে নেই। কারণ, অভেন-টোস্টার-গ্রিলারেই যাবতীয় রান্না সেরে ফেলতে পারবেন গ্রাহক।
তবে রান্নাঘরের শোভা বাড়াতে হলে ওটিজি থাকা সত্ত্বেও এয়ার ফ্রায়ার কেনা যেতে পারে। তাতে কিন্তু বাড়বে বিদ্যুতের খরচও। তেল ছাড়া এয়ার ফ্রায়ারে করা যায় রান্না। আর তাই অনেকেরই ধারণা এতে খাবার তৈরি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। যদিও বাস্তবে ব্যাপারটা মোটেই সে রকম নয়। মূলত স্ন্যাকস বা ভাজাভুজি বাদ দিলে নিত্য দিনের প্রায় কোনও খাবারই বানানো যায় না ওই যন্ত্রে।