—প্রতীকী ছবি।
স্মার্টফোনের দুনিয়ায় অন্যতম বড় নাম হল অ্যাপ্ল ও স্যামসাং। মোবাইলের বাজারে এই দু’য়ের প্রতিযোগিতা প্রবল। কিন্তু, তার পরেও ব্যাটারির প্রশ্নে মার্কিন এবং দক্ষিণ কোরীয় টেক জায়ান্টটির মধ্যে আছে একটা অদ্ভুত মিল। কারণ, কখনওই উচ্চ শক্তির ব্যাটারি যুক্ত মুঠোবন্দি ডিভাইস গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করেনি তারা। কেন এই জেদ? নেপথ্যে কোন রহস্য? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।
গত কয়েক বছরে স্মার্টফোনের বাজারে স্যামসাং এবং অ্যাপ্লকে টেক্কা দিতে চলে এসেছে একাধিক চিনা ব্র্যান্ড। ব্যাপক সস্তায় ঝাঁ-চকচকে স্মার্টফোন বাজারে এনেছে তারা। তাদের তৈরি ডিভাইসের ব্যাটারির শক্তি চমকে দেওয়ার মতো। তার পরেও বাড়ছে না স্মার্টফোনের ওজন। মোটা হচ্ছে না সেটি। উল্টে এক বার চার্জে দীর্ঘ সময় সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটি ব্যবহার করতে পারছেন গ্রাহক।
এই সুবিধা কিন্তু অ্যাপ্লের আইফোন বা স্যামসাঙের স্মার্টফোনে একেবারেই নেই। কারণ, চিনা সংস্থাগুলি ব্যাটারি তৈরিতে ব্যবহার করছে সিলিকন কার্বন প্রযুক্তি। এর আবার একগুচ্ছ সমস্যা রয়েছে। তা ছাড়া ব্যবস্থাটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এর জেরে সিলিকন কার্বনের ধারকাছ দিয়ে কোনও দিনও হাঁটেনি মার্কিন এবং দক্ষিণ কোরীয় টেক জায়ান্ট।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, অ্যাপ্লকে ব্যাটারি সরবরাহ করে থাকে টিডিকে নামের একটি সংস্থা। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ব্যাটারিনির্মাণে নতুন একটি পণ্য আবিষ্কার করে ফেলেছে তারা। এর সাহায্যে অচিরেই সলিড স্টেট ব্যাটারি তৈরি করবে টিডিকে, আগামী দিনে যা থাকবে আইফোনে।
বিশ্লেষকদের দাবি, সলিড স্টেট ব্যাটারির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এটি একেবারেই ঝুঁকিপূর্ণ নয়। উল্টে এক বার চার্জে দীর্ঘ সময় শক্তি সরবরাহের সক্ষমতা আছে তার। সূত্রের খবর, আগামী বছরের (পড়ুন ২০২৭ সাল) মাঝামাঝি সলিড স্টেট ব্যাটারিযুক্ত আইফোন বাজারে আনবে অ্যাপ্ল। স্যামসাঙের ক্ষেত্রেও একই খবর পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।