—প্রতীকী ছবি।
ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর। এ বার থেকে কৃত্রিম মেধা বা এআই-ভিত্তিক (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ভয়েস ট্রান্সলেট ফিচারটিতে আরও পাঁচটি ভাষার সুবিধা পাবেন তাঁরা। গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সালের) অক্টোবরে ইংরেজি, হিন্দি, স্প্যানিশ এবং পর্তুগিজ ভাষায় রিলসের ডাবিং এবং লিপ সিঙ্কের সুবিধা চালু করেছিল মেটার এই সমাজমাধ্যম। সেই তালিকায় এ বার আরও পাঁচটি ভাষা যুক্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মার্কিন টেক জায়ান্ট।
মেটা জানিয়েছে, আগামী দিনে গ্রাহকেরা বাংলা, তামিল, তেলুগু, কন্নড় এবং মরাঠি ভাষায় রিলসের ডাবিং এবং লিপ সিঙ্কের সুবিধা পাবেন। সম্প্রতি একটি ব্লগে পোস্ট করে এই ঘোষণা করেছে ইনস্টাগ্রামের মূল নির্মাণকারী সংস্থা। সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘মেটা এআই ব্যবহার করে কন্টেন্ট ক্রিয়েটারেরা রিলসের ভাষা অনায়াসেই বদলে নিতে পারবেন। ফলে তাঁদের তৈরি ভিডিয়ো বিশ্বের সবচেয়ে প্রচলিত ভাষাগুলিতে সাবলীল ভাবে অনুবাদ হয়ে যাবে। তখন আরও বেশি দর্শকের কাছে নিজেদের সৃষ্টি নিয়ে পৌঁছোতে পারবেন তাঁরা।’’
ইনস্টা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন প্রযুক্তিতে ডাবিঙের সময় ‘ভয়েসওভার’ শিল্পীর কণ্ঠস্বর এবং সুর অক্ষুণ্ণ রাখবে তাদের কৃত্রিম মেধা। ফলে ভাষা বদলে গেলেও রিলকে কোথাও মেকি বলে মনে হবে না। এ ক্ষেত্রে কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের ‘লিপ সিঙ্কিং’ বিকল্পটি বেছে নিতে হবে। এর সাহায্যে ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে অন্য ভাষার অডিয়োকে দিব্যি মিশিয়ে দিতে পারবেন তাঁরা। ফলে ক্রিয়েটার সংশ্লিষ্ট ভাষাটিতেই কথা বলছেন বলে মনে হবে।
কী ভাবে নতুন ফিচারটির সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারীরা? ইনস্টা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিল আপলোডের সময় ‘মেটা এআই দিয়ে ভয়েস অনুবাদ করুন’ অপশনটি দেখতে পাবেন তাঁরা। সেটি বেছে নিতে হবে তাঁদের। এটি অন থাকলে রিলটি ইংরেজি, হিন্দি, স্প্যানিশ এবং পর্তুগিজ় ভাষায় অনুবাদ হয়ে যাবে। নতুন আপডেট চালু হলে বাকি ভারতীয় ভাষাগুলির সুবিধাও পাবেন গ্রাহক।
এ ছাড়া নতুন বছরের গোড়ায় আরও একটি ঘোষণা করেছে এই সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম। ইনস্টা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কন্টেন্ট ক্রিয়েটারেরা এ বার থেকে এডিটস অ্যাপে ভারতীয় ফন্ট ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে বাংলা, হিন্দি, মরাঠি বা অসমিয়ার মতো ভাষায় ক্যাপশন লিখতে কোনও অসুবিধা হবে না তাঁদের।
আগামী দিনে এডিটস অ্যাপের এই সুবিধা কেবলমাত্র অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে মিলবে বলে ঘোষণা করেছে মেটা। এর জন্য অবশ্য অ্যাপটিকে আপডেট করতে হবে গ্রাহকদের। নির্ধারিত সময়ে যা তাঁদের মোবাইল ফোন বা অন্যান্য ডিভাইসে চলে আসবে বলে জানা গিয়েছে।