—প্রতীকী চিত্র।
ইউপিআই (ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস) লেনদেনের জন্য ফোনপে ব্যবহার করছেন? এ বার বাড়তে চলেছে তার খরচ। প্রতি তিন মাস অন্তর গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১০০ টাকা কাটা হবে বলে ইতিমধ্যেই ঘোষণা করছে এই ফিনটেক সংস্থা। শুধু তা-ই নয়, অ্যাপটি থেকে বেরিয়ে যেতে গেলেও কেওয়াইসি-র (নো ইয়োর কাস্টমার) নথি চাওয়া হচ্ছে বলে উঠেছে অভিযোগ।
ফোনপে দু’ভাবে ব্যবহার করতে পারেন গ্রাহক। অধিকাংশ ব্যবহারকারীই নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ফিনটেক সংস্থাটির অ্যাপটিকে লিঙ্ক করে থাকেন। এই পদ্ধতিতে সরাসরি ইউপিআই লেনদেন করা যায়। তবে ফোনপে-র নিজস্ব ওয়ালেট রয়েছে। তার মাধ্যমেও টাকা দেওয়া-নেওয়ার সুযোগ দিয়ে থাকে এই ফিনটেক সংস্থা।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, গ্রাহকদের বড় অংশই ব্যবহার করেন না ফোনপে-র ওয়ালেট। তাঁদের থেকেই এ বার চার্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট ফিনটেক সংস্থা। এই সংক্রান্ত ঘোষণাটি ইতিমধ্যেই ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোনে পাঠিয়ে দিয়েছে তারা। সেখানে বলা হয়েছে, ওয়ালেট এড়িয়ে গেলে প্রতি তিন মাসে দিতে হবে ১০০ টাকা।
ফোনপে কোনও ব্যাঙ্ক নয়। তা হলে কী ভাবে গ্রাহকদের থেকে টাকা নিচ্ছে তারা? বিশেষজ্ঞদের দাবি, আইনের ফাঁক গলে এই চার্জ বসিয়েছে সংশ্লিষ্ট ফিনটেক সংস্থা। স্মার্টফোনে পাঠানো তাদের বার্তায় বলা হয়েছে, কেউ যদি এক বছরের বেশি সময় ধরে ওয়ালেট ব্যবহার না করে তা হলে তিন মাস অন্তর অন্তর রক্ষণাবেক্ষণের ফি দিতে হবে তাঁকে।
এই ধরনের ওয়ালেটগুলিকে ‘নিষ্ক্রিয়’র তালিকায় রেখেছে ফোনপে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ১০০ টাকা কাটার আগে ১৫ দিনের নোটিস দেওয়া হবে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই অ্যাপ ত্যাগ করতে ব্যবহারকারীদের একাংশের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তখনই কেওয়াইসি চাওয়ার অভিযোগ সামনে আসে। এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে ফিনটেক সংস্থাটির কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।