—প্রতীকী ছবি।
জনপ্রিয় ক্রিপ্টো মুদ্রা বিটকয়েন ব্যবহারের নিরিখে সারা বিশ্বে এগিয়ে আছে কোন দেশ? এই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু একেবারেই সহজ নয়। ২০০৯ সালে ব্লক চেন পদ্ধতিতে চলা সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল মুদ্রাটিকে বাজারে আনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু, গ্রাহকসংখ্যার নিরিখে একেবারেই প্রথম স্থানে নেই আমেরিকা। সেখানে ওয়াশিংটনকে টেক্কা দিয়েছে ভারত। যদিও বিটকয়েনের মূল্যের নিরিখে হিসাবটা পুরোপুরি অন্য রকম।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৯ কোটি ৩০ লাখে পৌঁছেছে ভারতে বিটকয়েনের গ্রাহকসংখ্যা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ক্রিপ্টো মুদ্রার ব্যবহারকারীর সংখ্যা এ দেশের প্রায় অর্ধেক। এই তালিকায় তিন নম্বরে জায়গা পেয়েছে চিন। চতুর্থ স্থান দখল করতে পারেনি কোনও ইউরোপীয় দেশ। সেখানে নাম আছে আফ্রিকার নাইজ়েরিয়ার।
বিটকয়েনের গ্রাহকসংখ্যার দিক থেকে প্রথম পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে ভিয়েতনাম। যদিও সংশ্লিষ্ট ক্রিপ্টো মুদ্রাটির মূল্যের নিরিখে প্রথম স্থান রয়েছে আমেরিকারই দখলে। অর্থাৎ, বিটকয়েনে ৯.৩০ কোটি ভারতীয়ের লগ্নির অঙ্ক যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, তার অর্ধেক গ্রাহকে বেশি পরিমাণে বিনিয়োগ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এ দেশে ক্রিপ্টো মুদ্রা একেবারেই করমুক্ত নয়। বরং বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি কর নিয়ে থাকে ভারত। এখানে বিটকয়েনের মতো ব্লক চেন ডিজিটাল মুদ্রার গ্রাহকদের ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হয়। দ্বিতীয়ত, এর উপর কোনও সুরক্ষার নিশ্চয়তা পান না তাঁরা। ২০২৫ সালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেনি ভারতের শেয়ার বাজার। ফলে আগামী দিনে এই ধরনের ক্রিপ্টো মুদ্রায় বিনিয়োগের প্রবণতা আরও বাড়বে? উঠছে প্রশ্ন।