২৭ ডিসেম্বর, ১৮২২

ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের জন্ম। তাঁকে মাইক্রোবায়োলজির জনক বলা হয়। রোগের কারণ নির্ণয় ও প্রতিরোধে তাঁর গবেষণা বিজ্ঞান জগতের এক অনন্য কীর্তি। তাঁর এই আবিষ্কারে জ্বরে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই কমে। তিনি জলাতঙ্ক ও অ্যানথ্রাক্সের প্রতিষেধক আবিষ্কার করেন। তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেন দুধ, মদ ইত্যাদি তরল পদার্থের নষ্টের জন্য দায়ী ‘মাইক্রো অর্গানিজম’। আর এই তরল পদার্থকে উচ্চ তাপমাত্রায় ফোটালে ব্যাকটেরিয়াগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তাঁর আবিষ্কৃত এই পদ্ধতিকে ‘পাস্তুরাইজেশন’ বলে। ১৮৪৯ সালে তাঁর দুই সন্তান টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এই ঘটনাই রোগের কারণ নির্ণয় ও প্রতিরোধে তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। তাঁর ‘অ্যানারোবায়োসিস’ আবিষ্কারের পদ্ধতিকে ‘পাস্তুর এফেক্ট’ বলা হয়।

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫ ০০:২০
Share:

ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের জন্ম। তাঁকে মাইক্রোবায়োলজির জনক বলা হয়। রোগের কারণ নির্ণয় ও প্রতিরোধে তাঁর গবেষণা বিজ্ঞান জগতের এক অনন্য কীর্তি। তাঁর এই আবিষ্কারে জ্বরে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই কমে। তিনি জলাতঙ্ক ও অ্যানথ্রাক্সের প্রতিষেধক আবিষ্কার করেন। তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেন দুধ, মদ ইত্যাদি তরল পদার্থের নষ্টের জন্য দায়ী ‘মাইক্রো অর্গানিজম’। আর এই তরল পদার্থকে উচ্চ তাপমাত্রায় ফোটালে ব্যাকটেরিয়াগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তাঁর আবিষ্কৃত এই পদ্ধতিকে ‘পাস্তুরাইজেশন’ বলে। ১৮৪৯ সালে তাঁর দুই সন্তান টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এই ঘটনাই রোগের কারণ নির্ণয় ও প্রতিরোধে তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। তাঁর ‘অ্যানারোবায়োসিস’ আবিষ্কারের পদ্ধতিকে ‘পাস্তুর এফেক্ট’ বলা হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement