ভ্রমণের আগের কেনাকাটিতে কী কী থাকবে? ছবি: সংগৃহীত।
বেড়াতে যাওয়ার আনন্দ শুরু হয় ব্যাগ গোছানোর সময়ে। কিন্তু সে পছন্দের জিনিস নেওয়ার সময়ে ব্যাগে জায়গা না হলে বা প্যাকিং পরিচ্ছন্ন না হলে মন খারাপ হতে পারে। কী নেবেন, কী বাদ দেবেন, ব্যাগ গুছিয়ে শেষমেশ আবার খুলতে হবে কি না— এই সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেলে সফরের আনন্দ আরও বেশি করে উপভোগ করা যায়। অনলাইন কেনাকাটার যুগে ১-২ দিনে, এমনকি ১০ মিনিটে প্রয়োজনীয় জিনিস হাতের মুঠোয় চলে আসে। তাই কিছু সহজ প্যাকিং কৌশল মেনে চললে প্রতি বারই পরিপাটি ভাবে ব্যাগ গোছানো যেতে পারে। আর সেই সব কৌশল প্রয়োগের জন্যই দরকার প়ড়ে জিনিস। স্মার্ট ফোন, স্মার্ট টিভির মতো স্মার্ট প্যাকিংয়ের কয়েকটি প্রয়োজনীয় জিনিসের সন্ধান রইল।
পরের বার বেড়াতে যাওয়ার আগে ৩টি জিনিস কিনে নিলে ব্যাগ গোছানোর কাজ আরও সহজ হবে—
প্যাকিং কিউব
প্যাকিং কিউব। ছবি: সংগৃহীত।
জামাকাপড় থেকে জুতো-মোজা, অন্তর্বাস, প্রত্যেকটি জিনিস আলাদা করে গুছিয়ে রাখার জন্য নানা আকারের পাউচ বা কিউব পাওয়া যায়। বড় স্যুটকেসের ভিতর জিনিস আলাদা করে সাজাতে সাহায্য করে। একটিতে জামা, অন্যটিতে প্যান্ট বা অন্তর্বাস রাখলে ব্যাগ খুলেই সব চোখের সামনে পাওয়া যায়। পোশাক এলোমেলো হয় না, সময়ও বাঁচে। সফরের মাঝপথে কিছু বার করতে হলে পুরো ব্যাগ ওলটপালট হয় না।
লন্ড্রি শ্যু ব্যাগ
লন্ড্রি শ্যু ব্যাগ। ছবি: সংগৃহীত।
ভ্রমণের সময় ব্যবহৃত জামাকাপড় আর পরিষ্কার জামা আলাদা রাখা উচিত। তাই আলাদা লন্ড্রি ব্যাগে রাখলে সুবিধা হয়। একই ভাবে জুতোর জন্য আলাদা ব্যাগ থাকলে মাটি বা ধুলো অন্য জিনিসে লাগে না। এতে ব্যাগ অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন থাকে। এই ব্যাগগুলি ওয়াশিং মেশিনে কেচে নেওয়া যায়। এমনকি জুতো ভরেও অনেকে মেশিনে ধুয়ে নেন, যাতে নোংরা জুতো ও ব্যাগ, দু’টিই পরিষ্কার হয়ে যায়।
ডিজিটাল লাগেজ স্কেল
ডিজিটাল লাগেজ স্কেল। ছবি: সংগৃহীত।
অনেক সময় বিমানবন্দরে গিয়ে জানা যায় ব্যাগের ওজন বেশি। নির্দিষ্ট মাপের বেশি ওজন হয়ে গেলেই বাড়তি খরচের চিন্তা। তাই একেবারে বাড়ি থেকেই ব্যাগের ওজন মেপে নিলে নিশ্চিন্ত থাকা যায়। ডিজিটাল লাগেজ স্কেলে ব্যাগের ওজন মেপে নিলে এই ঝামেলা এড়ানো যায়। প্রয়োজনে আগেই জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।