Celebrity Travel Tips

প্রচুর খরচ হয়! তবু পরিবারের সঙ্গে বেরোলে একটি বিষয়ে আপোস করেন না ‘ফ্যামিলি ম্যান’ মনোজ

প্রত্যেকেরই জীবনে কিছু না কিছু শখ থাকে। যার জন্য ক্ষমতার বাইরে গিয়েও অর্থ ব্যয় করতে হলেও পিছিয়ে আসার কথা ভাবতে পারেন না মানুষ। মনোজ জানিয়েছেন, তাঁর জীবনেও এমন একটি শখ আছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:১৪
Share:

ছবি : সংগৃহীত।

তিনি কৃপণ নন। তবে খরচ করেন বুঝে-শুনেই। তিনি মনোজ বাজপেয়ী। খ্যাতির দরজা ছুঁলেও বেড়ে উঠেছেন অত্যন্ত সাধারণ মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে। তাই বলিউডে সাফল্য পেলেও দেখনদারির প্রবণতা এড়িয়ে চলেন। তাঁকে সেভাবে দেখাও যায় না ফিল্মি পার্টিতে। কিন্তু একটি ব্যাপারে মনোজ অর্থ ব্যয় করতে দ্বিধা করেন না। সম্প্রতি সেই শখের ব্যাপারেই খোলাখুলি জানিয়েছেন ‘ফ্যামিলি ম্যান’-এর চরিত্রাভিনেতা মনোজ।

Advertisement

একটি পডকাস্টে নিজের হিসেবি স্বভাব নিয়ে আলোচনা করছিলেন মনোজ। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, জীবনে সবচেয়ে খরচ করেছেন কোন জিনিসটিতে। এর জবাবে মনোজ বলেছেন, ‘‘আমি খরচ ভেবেচিন্তেই করি। তবে সবচেয়ে বেশি খরচ করেছি আমার বাড়ি কিনতে। তারপরে গাড়ি।’’ এ ছাড়া? মনোজ জানিয়েছেন, এ ছাড়া আর একটি শখের জন্য টাকা ওড়াতে তিনি দ্বিধা করেন না। আর সেই শখটি হল বেড়ানো।

প্রত্যেকেরই জীবনে কিছু না কিছু শখ থাকে। যার জন্য ক্ষমতার বাইরে গিয়েও অর্থ ব্যয় করতে হলেও পিছিয়ে আসার কথা ভাবতে পারেন না মানুষ। মনোজ জানিয়েছেন, তিনি পরিবারকে নিয়ে আরামে এবং আয়েস করে ছুটি কাটাতে ভালবাসেন। সেখানে কোনও রকম সমঝোতা বা আপোস করতে চান না। যেমন, অভিনেতা জানিয়েছেন, পরিবারকে নিয়ে বেড়াতে গেলে তিনি বিজ়নেস ক্লাস ছাড়া অন্য কোনও আসনে সফর করেন না।

Advertisement

মনোজের কথায়, ‘‘আমার বেড়ানোর মানে আরামের শেষ কথা। আমি চাই আমার পরিবারের যাতে কোনও রকম স্বাচ্ছন্দ্যের অভাব না হয়। তাই বেড়াতে গিয়েও এয়ারবিএনবি বুক করি। হোটেল নয়।’’

বিভিন্ন পর্যটন ক্ষেত্রে যেমন হোটেল ভাড়া করা যায় তেমনই একটি গোটা বাড়িও ভাড়া নেওয়ার ব্যবস্থা থাকে। বিদেশে তো বটেই দেশেও বহু বেড়ানোর জায়গায় এই ধরনের সাজানো বাড়ি ভাড়া দেওয়ার সুবিধা মেলে। মনোজ জানিয়েছেন, তাঁর কাছে পরিবারের স্বাচ্ছন্দ্য এতটাই জরুরি যে ব্যক্তিগত সময়ে কোনও রকম বাধা আসুক, তা চান না। তাই হোটেলে আর পাঁচজন পর্যটকের সঙ্গে না থেকে নিরালায় নিজেদের মতো করে আলাদা বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন। তাতে যেমন এলাকার সংস্কৃতির স্বাদ পাওয়া যায় তেমনই পাওয়া যায় অফুরান ব্যক্তিগত সময়। মনোজ বলেছেন, ‘‘ওই ভাবে থাকতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয় বটে। কিন্তু এই একটি বিষয়ে টাকা ওড়ানোর ব্যাপারে আমি দ্বিতীয় বার ভাবি না।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement