পাণ্ডুয়ার সবজি ব্যবসায়ীর ছেলে সুমিত দাসকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল ডিসকভারি চ্যানেল। সমতলের ছেলে স্বপ্ন দেখেছিল পাহাড়চূড়ায় পা ফেলে মুঠোবন্দি করে ফেলবে মেঘেদের। সুমিতের চোখের তারায় চিকচিক করে উঠত তুষারশৃঙ্গেরা। সেই পাহাড়ই যে তাঁর হাতপায়ের সবকটা আঙুল কেড়ে নেব, কখনও ভাবেননি। ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবকল্যাণ দফতরের আয়োজনে পর্বতাভিযানে গিয়ে, ফ্রস্টবাইটে হাত আর পায়ের আঙুল খুইয়েছেন সুমিত। সুমিতের অভিযোগ, সরকার কোনও সাহায্যই করেনি। কলকাতায় আসার পর থেকে তাঁর চিকিৎসার সব খরচ জুগিয়েছে ক্লাবই। পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস থেকে শুরু করে তখনকার ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, এমনকি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও চিঠি লিখেছেন। পাশে পাননি কাউকেই।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে। সুমিতের অভিযোগও পৌঁছেছে নতুন সরকারের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের কাছে।