ছবি: সংগৃহীত।
বাস্কেটবলের লোহার কাঠামো ধরে ব্যায়াম করতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ব্যাকবোর্ডের লোহার কাঠামো মাথায় ভেঙে পড়ল ২০ বছরের তরুণের। প্রচুর রক্তক্ষরণে মৃত্যু হল পুণের একটি মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের ২০ বছর বয়সি ক্যাডেটের। দুর্ঘটনাটি ঘটার পর বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে। সেই ঘটনারই একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, তোলানি মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র বিশাল বর্মা রবিবার সকালে হাঁটতে ও শরীরচর্চা করতে ক্যাম্পাসে বেরিয়েছিলেন। বাস্কেটবলের কাঠামোটি ধরে পুশ-আপ করার সময় সেটি তাঁর ওপর ভেঙে পড়ে। মাথায় গুরুতর আঘাত পান বিশাল। তরুণ ক্যাডেটের শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। ক্যাম্পাসের সহপাঠী ও কর্মীরা তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বিশালের লিঙ্কডইন অ্যাকাউন্টের তথ্য বলছে, তিনি উত্তরপ্রদেশের বস্তির বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ২০২৪ সালে পুণের এই প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন। তাঁর চার বছরের বিটেক কোর্সটি ২০২৮ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সঞ্জিত কানুনগো ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি বাস্কেটবল হুপে পুশ-আপ করার চেষ্টা করছিলেন, তখন পুরো কাঠামোটি তাঁর ওপর ভেঙে পড়ে। মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। কী হয়েছিল, তা আমরা তদন্ত করে দেখব।’’
দুর্ঘটনাটি ঘটার পর ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেই ভিডিয়োটিই প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখার পর পুলিশ জানিয়েছে, বাস্কেটবলের কাঠামোয় মরচে ধরেছিল, না কি তাতে কোনও বড় ধরনের ত্রুটি ছিল, তা তারা খতিয়ে দেখছে। স্থানীয় থানার ইনস্পেক্টর সন্তোষ পাটিল সংবাদমাধ্যমে জানান, একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।