ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
দাম্পত্যকলহ বা বনিবনা না হলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের ঘটনা আকছার। কিন্তু শুধুমাত্র টাক পড়ার জন্য বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটার ঘটনা একটু ভিন্ন। সেই কাজই করলেন এক ব্যক্তি। চর্মরোগের কারণে চুল পড়ে গিয়ে টাক পড়তে শুরু করেছিল স্ত্রীর। চেহারা পাল্টে যাওয়ার স্ত্রীর সঙ্গে থাকতে রাজি হননি তরুণ। ১৬ বছর একসঙ্গে থাকার পর স্ত্রীর সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছেদ করেন তরুণ। ঘটনাটি চিনের।
সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, হেনান প্রদেশের শাংকিউতে বসবাসকারী ৩৬ বছর বয়সি লিয়ের দাম্পত্য সম্পর্ক শেষ হয়ে গিয়েছে তাঁর টাকের কারণে। ওই তরুণী জানিয়েছেন, দু’বছর আগে অসুস্থ হওয়ার পর থেকে স্বামী তাঁকে ক্রমাগত অবজ্ঞা করতে শুরু করেন। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সংসারের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন তিনি, দাবি করেছেন লি। হঠাৎই লিয়ের মাথার অধিকাংশ চুল সাদা হয়ে যায়। তার পর চুল ঝরে পড়তে শুরু করে। মাথাজোড়া টাক দেখা যায়। চিকিৎসকেরা এটিকে ‘ভিটিলিগো’ বা শ্বেতী বলে নির্ণয় করেন। এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগ যার ফলে ত্বক, চুল সাদা হতে শুরু করে। লি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চেহারায় চোখে পড়া়র মতো পরিবর্তন আসে। রোগাক্রান্ত হওয়ার ফলে তাঁকে বয়স্ক দেখায়। রোগে ভুগতে শুরু করার পর থেকেই স্বামী তাঁকে অবজ্ঞা করতে শুরু করেন বলে জানিয়েছেন লি।
তরুণীর অভিযোগ, স্বামী কখনও তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাননি। তাঁর অসুস্থতার বিষয়ে কোনওদিন জিজ্ঞাসা করেননি। এমনকি চিকিৎসার বিল দিতেও অস্বীকার করেছিলেন বলে লি অভিযোগ তুলেছেন। ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর, লি তাঁর স্বামীর বিবাহবিচ্ছেদের প্রস্তাব মেনে নিতে বাধ্য হন। তবে তাঁদের সন্তানের হেফাজত রয়েছে লিয়ের কাছেই। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, লিয়ের অভিযোগের ব্যাপারে তাঁর স্বামী এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি।