Bizarre

চাকরির সুখবরের পরই চমকে ওঠার মতো বার্তা এল তরুণী ফোনে, কাজের চাপ কমাতে বিশেষ প্রস্তাব দিলেন বস্‌!

কন্টেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট অনুষ্কা কউর লিঙ্কডইনে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, পেশাদারদের জন্য নির্ধারিত প্ল্যাটফর্মটিতে একটি কর্মখালির পোস্ট নজরে পড়েছিল তাঁর। এগ্‌জ়িকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের জন্য আবেদন করার অভিজ্ঞতা বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করেছেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ১৭:০৩
Share:

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

লিঙ্কডইনে চাকরির একটি আবেদন করে ফ্যাসাদে পড়লেন এক তরুণী। চাকরি খোঁজার কাজ অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতায় পরিণত হয় ওই তরুণীর কাছে। সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে তিনি অভিযোগ করেছেন, এক নিয়োগকর্তা চাকরিতে নিয়োগের কথা জানানোর পর কথোপকথনের বিষয় চাকরি থেকে সরে গিয়ে ব্যক্তিগত ও অনুচিত প্রসঙ্গের দিকে মোড় নেয়। তরুণী তাঁর অভিযোগের সমর্থনে নিয়োগকর্তার সঙ্গে কথোপকথনের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেছেন। তরুণীর দাবি, নিয়োগকর্তার ওই ব্যক্তিগত প্রস্তাব সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং পেশাদার আচরণের পরিপন্থী।

Advertisement

কন্টেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট অনুষ্কা কউর লিঙ্কডইনে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, পেশাদারদের জন্য নির্ধারিত প্ল্যাটফর্মটিতে একটি কর্মখালির পোস্ট নজরে পড়েছিল তাঁর। এগ্‌জ়িকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের জন্য আবেদন করার অভিজ্ঞতা বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করেছেন সেখানে। তিনি বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি যে আমাকে এমন কিছু লিখতে হবে। আমি লিঙ্কডইনের মাধ্যমে এগ্‌জ়িকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের জন্য একটি বিজ্ঞাপনে আবেদন করেছিলাম। কথোপকথনটি পেশাগত ভাবেই শুরু হয়েছিল। আমার পরিচয় দিয়েছি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা, বেতন প্রত্যাশা জানিয়েছি এবং সাক্ষাৎকারের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছি। কয়েক মিনিট পরেই আমাকে জানানো হয় যে এই পদের জন্য আমাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।’’

তরুণীর শেয়ার করা স্ক্রিনশট অনুযায়ী, তিনি শাম মুন্দাদা নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন, যাঁর লিঙ্কডইন প্রোফাইলে গুগ্‌লের পারফরম্যান্স মার্কেটিং বিভাগের প্রধান হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে চাকরি নিয়ে আলোচনা হলেও পরে তিনি অনুষ্কাকে জানান, তাঁর আগের ব্যক্তিগত সহকারী নাকি কাজের চাপ কমাতে নিজের ছবি পাঠাতেন। এর পর তিনি জানতে চান, অনুষ্কাও একই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন কি না। প্রস্তাব শুনে হতভম্ব হয়ে যান পোস্টদাতা। এই প্রস্তাবটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন।

Advertisement

প্রতিবাদে অনুষ্কা লিখেছেন, “এগ্‌জ়িকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট, মার্কেটিং এগ্‌জ়িকিউটিভ, এইচআর পেশাদার বা অন্য যে কোনও পদেই কাজ করুন না কেন, কোনও চাকরিই এক নারীকে কারও ব্যক্তিগত বা অনুচিত চাহিদা পূরণ করতে বাধ্য করে না। এটিকে ‘কর্পোরেট সংস্কৃতি’ বা ‘স্পষ্টভাষী হওয়া’ বলে আড়াল করা যায় না।” তিনি আরও বলেন, “এটি একটি পেশাদার প্ল্যাটফর্মের সুস্পষ্ট অপব্যবহার এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করার একেবারেই অগ্রহণযোগ্য উদাহরণ।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement