ছবি: সংগৃহীত।
১৫ বছর ধরে চলছে ব্যবসা। তা সত্ত্বেও বাবা-মায়ের মাথার উপর ঝুলছে ৭০ লক্ষ টাকার বিশাল ঋণ। সেই ধার শোধ করতে নেটপাড়ার কাছে সাহায্য চেয়ে বসলেন এক তরুণী। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি আবেদন করেছেন কী ভাবে এই ঋণের পাহাড়প্রমাণ বোঝা তিনি মাথা থেকে নামাবেন। ব্যবসা থেকে আয় হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি ও তাঁর পরিবার ঋণের ফাঁসে আটকে যাচ্ছেন। কোনও ভাবেই এর থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন না তাঁরা। পোস্টটি শেয়ার করার পর বহু দর্শকেরই নজর কেড়েছে এটি। ভাইরাল হয়েছে পোস্টটি। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
২১ বছর বয়সি ওই তরুণী তাঁর রেডিটের পোস্টে বিস্তারিত জানিয়েছেন যে, তাঁর বাবা-মা দিল্লির রোহিণীতে একটি স্যালোঁ চালাতেন। মাসিক ৮.৯৪ লক্ষ টাকার লেনদেন হওয়া সত্ত্বেও, তাঁরা ঋণ পরিশোধ করার মতো যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করতে পারছেন না। কোনও মতে দিন গুজরান করছে পরিবারটি। তরুণী লিখেছেন, পরিবারের মাসিক মোট খরচ ছিল প্রায় ৭.৮৫ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে ছিল স্যালোঁকর্মীদের বেতন বাবদ ৩.৫ লক্ষ টাকা, দোকানের ভাড়া বাবদ ১.৩ লক্ষ টাকা, ইএমআই ও ক্রেডিট কার্ডের বিল বাবদ ১.১৫ লক্ষ টাকা, সেলুনের সরঞ্জাম বাবদ ১ লক্ষ টাকা, বাড়ির অন্যান্য খরচ বাবদ ৫০,০০০ টাকা এবং বাড়ির ভাড়া বাবদ ৪০,০০০ টাকা।
খাতায় কলমে প্রতি মাসে কিছু টাকা উদ্বৃত্ত হলেও তা অতি সামান্য। ঋণের বোঝা যেন কিছুতেই লাঘব করা সম্ভব হচ্ছে না তাঁদের। এই দেনার একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ব্যবসায়িক ঋণ, ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া এবং বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা অন্যান্য দায়।