ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
এক বার নয়। পর পর দু’বার। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন তরুণী। তাতেও কোনও হোলদোল দেখা গেল না। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে চলন্ত ট্রেনে উঠলেন তিনি। একাধিক বার ট্রেনের কামরা থেকে পড়ে যাওয়ার পরেও তরুণী চলন্ত ট্রেনে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যান। সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ঘটনাটি দিল্লি-আগ্রা রুটের একটি ট্রেনের। সেই ভয়াবহ ঘটনারই একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। ভিডিয়োটি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে একটি ট্রেন। প্রথমে একটি কোচের দরজার সামনে থেকে প্ল্যাটফর্মে পড়ে যেতে দেখা যায় ব্যাগ হাতে থাকা তরুণীকে। স্টেশনে গড়িয়ে পড়ে যান তিনি। তাতেও দমে যাননি তরুণী। ট্রেন ধরার চেষ্টায় প্রাণের মায়া ত্যাগ করতেও পিছপা হননি। প্ল্যাটফর্ম থেকে মরিবাঁচি করে উঠে তৎক্ষণাৎই দ্বিতীয় বার চলন্ত ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেন। সেই চেষ্টাও বিফলে যায়। হাতল ধরে কামরায় উঠতে গিয়ে পা পিছলে প্ল্যাটফর্মে পড়ে পা ঘষতে ঘষতে বেশ কিছু দূর এগিয়ে যান। দ্বিতীয় বারও মুখ থুবড়ে স্টেশনে পড়ে যান তরুণী। আশপাশ থেকে ছুটে আসেন অন্য যাত্রীরা। কোনও রকমে মাটি থেকে উঠে দ্রুত ট্রেনের দিকে ছুটে যান তিনি। তৃতীয় বার আবার একটি কামরায় চড়ার চেষ্টা করেন। অসম্ভব ঝুঁকি নিয়ে হাতল ধরে কামরায় ওঠার চেষ্টা করতেই চিত হয়ে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয় তরুণীর। নিজেকে কোনও রকমে সামলে নিয়ে শেষমেশ ট্রেনে উঠে পড়েন তরুণী।
ভিডিয়োটি ‘ঘর কা কলেশ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশিত হওয়ার পর ভিডিয়োটি নিয়ে প্রচুর আলোচনা শুরু হয়েছে। জীবনের বাজি রেখে এই ভাবে চলন্ত ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করার জন্য তরুণীর সমালোচনায় মুখর হয়েছেন নেটাগরিকেরা। একাধিক প্রায় ট্রেন থেকে মর্মান্তিক পতনের পরেও তরুণীর অধ্যবসায় দেখে হতবাক হয়েছেন অনেক দর্শকই। ভিডিয়োটি কয়েক হাজার বার দেখা হয়েছে নেটমাধ্যমে। সাড়ে তিন হাজার লাইক পড়েছে তাতে। এক জন নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘হাস্যকর। প্রথম বারের পর তাঁর শিক্ষা নেওয়া উচিত ছিল।’’ অন্য এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘জীবনকে সস্তা মনে করছেন।’’