ছবি: সংগৃহীত।
গাড়িতে ধাক্কা লাগা নিয়ে সামান্য বচসা। আর তার জেরেই পুলিশ আধিকারিককে গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করলেন একদল বাইকআরোহী। রাস্তায় স্টান্ট করতে বাধা দেওয়ায় পুলিশকর্মীর গাড়ি আটকে রাখা হয়। তাঁকে রাস্তায় টেনে নিয়ে এসে বার বার ঘুষি ও লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে কয়েক জন তরুণের বিরুদ্ধে। পুলিশকর্মীকে মারধর করার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে তাঁর গাড়িটি ভাঙচুর করা হয়। সেই ঘটনারই একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। ভিডিয়োটি এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে লেখা হয়েছে ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের নাগপুরের। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাস্তার এক ধারে একটি গাড়িকে ঘিরে রেখেছেন একদল তরুণ। বাইক দিয়ে পুলিশকর্মীর গাড়ি আটকে দেন তাঁরা। তার পর তাঁকে টানতে টানতে রাস্তার এক পাশ থেকে অন্য পাশে টেনে এনে বেদম প্রহার করতে দেখা গিয়েছে কয়েক জন তরুণকে। ভিডিয়োটি ‘নেক্সটমিনিট নিউজ়’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করে লেখা হয়েছে, কুনাল সিংহ নামের এমআইডিসি ট্র্যাফিক শাখার এক ট্র্যাফিক পুলিশকে মারধর করা হয়েছে। নাগপুরের রাস্তায় বেপরোয়া স্টান্ট দেখানোর প্রতিবাদ করায় তাঁকে জনসমক্ষে মারধর ও হেনস্থা করা হয়।
কুনাল তাঁর বন্ধুর সঙ্গে মানকাপুর রিং রোড দিয়ে গাড়িতে করে বাড়ি ফেরার পথে দেখেন মার্টিন নগর সেতুর কাছে সাত-আট জন তরুণ মোটরসাইকেলে বিপজ্জনক স্টান্ট দেখাচ্ছেন। তাঁদের বাইকগুলি রাস্তা আটকে রাখায় কুনাল হর্ন বাজালে বচসা শুরু হয়। যুবকেরা তাঁর গাড়িকে ধাওয়া করে, পিছন থেকে ধাক্কা দেয় এবং সামনে একটি বুলেট মোটরসাইকেল রেখে তাঁর পথ আটকে দেয়। এর পর তাঁরা তাঁকে গালিগালাজ ও শারীরিক নির্যাতন করে এবং তাঁর গাড়িটিও ভাঙচুর করে। এই ঘটনায় পুলিশ মোট ১৪ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। তদন্ত চলছে।