FIFA World Cup 2026

মারাদোনার ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোলের ৪০ বছর পর মেক্সিকোয় খেলবে ইংল্যান্ড! ঘুমের যন্ত্র, গুপ্ত হোটেল এবং কর্মের ফল চাইছেন কোচ

বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে ইংল্যান্ডকে যেতে হবে মেক্সিকোয়। তার আগে বিভিন্ন পরিকল্পনা করেছে তারা। মেক্সিকোর সমর্থকদের হাত থেকে বাঁচতে মরিয়া ইংল্যান্ড। কী পরিকল্পনা তাদের?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ১৯:৪৫
Share:

ইংরেজ অধিনায়ক হ্যারি কেন। ছবি: রয়টার্স।

বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। এ বার তাদের যেতে হবে মেক্সিকোয়, আয়োজক দেশের বিরুদ্ধে শেষ ১৬-র ম্যাচ খেলতে। তার আগে বিভিন্ন পরিকল্পনা করেছে তারা। মেক্সিকোর সমর্থকদের হাত থেকে বাঁচতে মরিয়া ইংল্যান্ড। দিয়েগো মারাদোনার ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোলের সেই ম্যাচে ৪০ বছর পর আবার মেক্সিকোয় বিশ্বকাপ খেলবে ইংল্যান্ড।

Advertisement

ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের দিন বিপক্ষ দলের হোটেলের সামনে আতশবাজি ফাটিয়ে, ঢাক-ঢোল পিটিয়ে শব্দ করে ফুটবলারদের ঘুম নষ্টের চেষ্টা করেছিলেন মেক্সিকো সমর্থকেরা। তবে ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রে তেমন কাজ করা মুশকিল। কারণ কোন হোটেলে তারা থাকবে, সেটা পুরোপুরি গোপন রাখছে ইংল্যান্ড। ফলে সাধারণ সমর্থকদের কাছে সেই তথ্য পৌঁছনো বেশ কঠিন।

শুধু তাই নয়, ফুটবলারদের দেওয়া হবে ঘুম পাড়ানোর বিশেষ যন্ত্র। এগুলে সাধারণত ‘ইয়ার বাড’ বা ‘স্লিপ ব্যান্ড’ গোছের। অনেক ফুটবলার নিজেরাই এই যন্ত্র ব্যবহার করে থাকেন। যাঁদের কাছে নেই তাঁদের এটি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। বিপক্ষ সমর্থকেরা চাইলেও যাতে ইংল্যান্ড ফুটবলারদের ঘুম নষ্ট করতে না পারেন, তাই এই ভাবনা।

Advertisement

যাতায়াতের পরিকল্পনাতেও বদল এসেছে। ম্যাচের দু’দিন আগে মেক্সিকো সিটিতে যাবে ইংল্যান্ড। অন্যান্য ম্যাচে এক দিন আগে যাওয়া হত। কিন্তু অ্যাজ়টেকা স্টেডিয়ামের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠের থেকে ২,২৪০ মিটার উপরে। তাই খেলা কঠিন হতে পারে বলে মত কোচ টমাস টুখেলের।

তিনি বলেছেন, “এক রাত আগে যাব। ওই মাঠে বলের গতিপথ বদলাতে পারে। হয়তো অন্য মাঠের চেয়ে পাঁচ গজ বেশি উড়ে যায়। সেটার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া দরকার। ১০ দিন আগে তো যেতে পারব না। তাই যতটা সম্ভব আগে নিয়ে প্রস্তুতি নিতে চাই।”

৪০ বছর পর মেক্সিকোয় নামার আগে টুখেল বলেছেন, “আশা করি এ বার আমরা পুরস্কার পাব। কর্মের ফল আমাদের দিকেই থাকবে। কর্ম আমাদের সাহায্য করবে। এ বার ফলাফল বদলে দেব। সেই বিশ্বকাপ মারাদোনার জন্যই সকলের মনে হয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটো গোল করেছিল। যার একটা আজকের দিনে কোনও দিনই গোল হত না।”

মারাদোনার প্রথম গোলটির ক্ষেত্রে হাতের ভূমিকা ছিল ঠিকই। কিন্তু দ্বিতীয় গোলের সময় তিনি ছয় ইংরেজ ফুটবলারকে কাটিয়ে গোল করেন, যা শতাব্দীর সেরা গোল বলে অভিহিত করা হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement