viral video

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানকে সাহায্য করতে কাশ্মীরে সোনা-রুপো-টাকার স্তূপ! বেতন দিলেন বিধায়ক, ভিডিয়ো ভাইরাল

কাশ্মীরের বডগামের বাসিন্দারা সোনার গয়না, স্বর্ণমুদ্রা থেকে শুরু করে তৈজসপত্র, নগদ অর্থ এমনকি গবাদি পশু এনে জড়ো করছেন। এই সমস্ত জিনিস ইরানি জনতার কাছে ত্রাণ হিসাবে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১২:০৫
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া ইরানের পাশে দাঁড়ালেন জম্মু-কাশ্মীরের অধিবাসীদের একাংশ। ইরানকে সহায়তা করার জন্য বডগামের বাসিন্দারা সোনা, রুপো, নগদ টাকা সংগ্রহ করছেন। ইরানের প্রতি সমর্থন জানাতে বাসিন্দারা মূল্যবান সামগ্রী ও অর্থ এক জায়গায় জড়ো করছেন। ইদের এক দিন পর উপত্যকার শিয়া অধ্যুষিত এলাকার যুবকেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনুদান সংগ্রহ করছেন। সেই ঘটনারই একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সমবেত হয়ে বডগামের বাসিন্দারা সোনার গয়না, স্বর্ণমুদ্রা থেকে শুরু করে তৈজসপত্র, নগদ অর্থ এমনকি গবাদি পশু এনে জড়ো করছেন। এই সমস্ত জিনিস ইরানি জনতার কাছে ত্রাণ হিসাবে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন বাসিন্দারা। কাশ্মীরের এক মহিলা ইরানের যুদ্ধকবলিত মানুষদের জন্য ২৮ বছর আগে প্রয়াত স্বামীর স্মৃতিচিহ্ন হিসাবে রাখা সোনাও দান করেছেন। বডগামের বিধায়ক মুনতাজির মেহদিও ইরানের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। বাসিন্দাদের এই ত্রাণে তাঁর এক মাসের বেতন দান করার ঘোষণা করেছেন তিনি। তিনি তাঁর এক্স পোস্টে লিখেছেন, ‘‘এই কঠিন সময়ে আমি ইরানের জনগণের পাশে আছি। সমর্থনের একটি ছোট নিদর্শন হিসাবে, আমি আমার এক মাসের বেতন দান করছি। মানবতা সব কিছুর ঊর্ধ্বে।” এমনকি বাচ্চারাও তাদের জমানো টাকা দান করেছে বলে কর্মকর্তারা সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন।

ভিডিয়োটি ‘ইকরা’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করা হয়েছে। ত্রাণসংগ্রহের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংগৃহীত অনুদান ইরানি দূতাবাস-সহ অনুমোদিত ত্রাণ সংস্থাগুলোর মাধ্যমে পাঠানো হবে যাতে তা ইরানি জনতার কাছে পৌঁছোয়। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, ইরান দূতাবাস এক্সে একটি পোস্টে অনুদানের ছবি শেয়ার করে জানিয়েছে, “অত্যন্ত কৃতজ্ঞ হৃদয়ে আমরা কাশ্মীরের জনগণের মানবিক সহায়তা এবং আন্তরিক ভালবাসায় আপ্লুত। ইরানের জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই। এই উদারতা কখনও ভোলা যাবে না।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement