ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
পরীক্ষা চলাকালীন নকল করছিলেন ছাত্র। হাতেনাতে ধরলেন পরিদর্শক। খাতা কেড়ে নিয়ে পরীক্ষার হল ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিতে বেধে গেল ধুন্ধুমার কাণ্ড। পরিদর্শকের উপর চড়াও হয়ে ক্রমাগত ঘুষি মারতে থাকেন ছাত্র। কর্নাটকের কালাবুর্গির মালাকারেডি হোমিয়োপ্যাথিক কলেজের ঘটনা। সিসিটিভিতে ধরা পড়ল অধ্যাপককে পেটানোর ঘটনা। ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, নকল করার প্রতিবাদ জানাতেই পরীক্ষার্থী তরুণ পরিদর্শকের দিকে তেড়ে এসে একের পর এক ঘুষি মারতে শুরু করেন। পরীক্ষার হলে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য পরীক্ষার্থীকে আক্রমণকারী ছাত্রটিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টাও করতে দেখা গিয়েছে ভাইরাল হওয়া ফুটেজে। সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সে দিন হোমিয়োপ্যাথিকের একটি বিষয় মেটেরিয়া মেডিকার পরীক্ষা চলছিল। কেরলের বাসিন্দা শাহবাজ নামের ছাত্র মোবাইল ফোন ব্যবহার করে উত্তর নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েন। সহকারী অধ্যাপক শিবরাজ কুমার ওই দিন পরীক্ষার তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি শাহবাজের মুখোমুখি হয়ে তাঁর উত্তরপত্রটি কেড়ে নেন। তাঁকে পরীক্ষার হল ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ফুটেজে দেখা গিয়েছে, শাহবাজ খাতা জমা দিয়ে ঘরের দরজার দিকে এগিয়ে গিয়েও শিক্ষকের তিরস্কার শুনে ফেরত চলে আসেন। অধ্যাপকের মুখে ঘুষি ও চড় মারতে দেখা যায় শাহবাজকে।
ভিডিয়োটি ‘পাথটুশাহ’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে এক সাংবাদিক পোস্ট করেছেন। ভিডিয়োটি দেখে বিতর্ক ও সমালোচনার ঝ়ড় বয়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। পরীক্ষার্থীর আচরণের নিন্দায় মুখর হয়েছেন নেটাগরিকেরা। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে ঘটনার পরপরই শাহবাজের বাবা-মাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ শাহবাজকে আর কোনও পরীক্ষায় বসতে নিষেধ করেছেন।