Insurance policy

‘প্রেমের বিমা’ করিয়েছিলেন প্রেমিক, প্রেম টিকল, হল বিয়েও, এক দশক পর লক্ষাধিক টাকা পেলেন নববিবাহিতা!

তরুণী যখন মাধ্যমিকের স্তরে পড়াশোনা করতেন তাঁর প্রেমিক তাঁকে একটি বিমা উপহার দিয়েছিলেন। তার পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েক বছর। ২০২৫ সালে বিয়ে সেরে ফেলতেই বিমার টাকা ফেরতের আবেদন জানান তাঁরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:০৬
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

২০১৬ সালে ‘প্রেমের বিমা’ করিয়েছিলেন প্রেমিক। তা উপহার দিয়েছিলেন প্রেমিকাকে। প্রায় এক দশক পরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতেই বিমা থেকে প্রায় সওয়া লক্ষ টাকা পেলেন তরুণী। ২৫০০ টাকা দিয়ে বিমাটি কিনে উপহার হিসাবে তরুণীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন তাঁর প্রেমিক। সেই বিমার শর্তে বলা ছিল, দম্পতি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিয়ে করলে ১০,০০০ ইউয়ান (১,৪০০ ডলার) অথবা ১০,০০০ গোলাপ পেতে পারেন।

Advertisement

অদ্ভুত এই ঘটনাটি ঘটেছে চিনে। শানসি প্রদেশের জিয়ানের বাসিন্দা উ নামের তরুণী ২০২৫ সালে বিয়ে সেরে ফেলতেই বিমার টাকা ফেরতের আবেদন জানান। উ যখন মাধ্যমিকের স্তরে পড়াশোনা করতেন তাঁর প্রেমিক ওয়াং এই উপহারটি দিয়েছিলেন। তার পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েক বছর। চিনা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, চায়না লাইফ প্রপার্টি অ্যান্ড ক্যাজ়ুয়ালটি ইনশিয়োর‌্যান্স কোম্পানি লিমিটেডের সেই বিমাটি কেনার পর ওয়াং তৎকালীন প্রেমিকা উয়ের হাতে তুলে দেন। প্রাথমিক ভাবে উয়ের মনে হয়েছিল এই বিমাটি আসলে ভাঁওতা। কোনও টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না।

ওয়াং ও উ ২০২৫ সালের অক্টোবরে গাঁটছড়া বাঁধেন। বিমার শর্তপূরণ করেছেন দু’জনে। ১০ হাজার গোলাপ না নিয়ে তাঁরা নগদ টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। গোলাপগুলি রাখার সমস্যার কথা মাথায় রেখে টাকা নেওয়ার বিকল্পটি বেছে নিয়েছিলেন এই দম্পতি। উ জানিয়েছেন, তাঁদের বিয়ে ও মধুচন্দ্রিমা শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই গোলাপের প্রয়োজন নেই। তবে এই টাকা নিয়ে তাঁরা কী করবেন তা জানাননি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভালবাসার বিমাটি ২০১৭ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে গ্রাহকদের পলিসি বৈধ ছিল।

Advertisement

উ এবং ওয়াঙের গল্পটি চিনা সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এক জন নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী মজা করে লিখেছেন, ‘‘আমার স্বামী এবং আমি কলেজে দেখা করেছিলাম, পাঁচ বছর ধরে ডেটিং করেছি এবং ন’বছর ধরে বিবাহিত। কেন যে আমরা তখন এই ধরনের বিমা সম্পর্কে জানতাম না!’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement