Viral Video

ছুটি দেননি ঊর্ধ্বতন, অসুস্থতার ‘প্রমাণ’ দিতে স্যালাইন হাতেই অঙ্গনওয়াড়ি গেলেন মহিলা কর্মী! ভাইরাল ভিডিয়ো

চাকরি হারানোর ভয়ে অসুস্থ মহিলা কর্মী হাতে স্যালাইন লাগিয়েই ছুটে গেলেন অঙ্গনওয়াড়ি। সহকর্মীরাও সেই ঊর্ধ্বতনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন। ভিডিয়ো তুলে পোস্ট করলেন সমাজমাধ্যমে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৫৬
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

অনেক চাকরিজীবীর মুখেই শোনা যায় যে ঊর্ধ্বতন অসুস্থতার কথা বিশ্বাস করছেন না। তাই ছুটি চেয়েও ছুটি মিলছে না বা অসুস্থতার প্রমাণ দেখাতে হচ্ছে। সাধারণত বেসরকারি সংস্থাগুলিতেই এমনটা হতে দেখা যায়। এ বার বিহারের অঙ্গনওয়াড়িতেও এমনটা হয়েছে বলে জানতে পারা গেল। চাকরি হারানোর ভয়ে অসুস্থ মহিলা কর্মী হাতে স্যালাইন লাগিয়েই ছুটে গেলেন অঙ্গনওয়াড়ি। সহকর্মীরাও সেই ঊর্ধ্বতনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন। ভিডিয়ো তুলে পোস্ট করলেন সমাজমাধ্যমে। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়ো অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের কাটিহারে।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, শীর্ণকায় চেহারার এক তরুণীর হাতে লাগানো আইভি ড্রিপ। স্যালাইনের বোতলটি ধরে পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁর স্বামী। কোনও রকমে শাড়ি পরেছেন মহিলা কর্মী। অসুস্থতার ছাপ চোখে-মুখে স্পষ্ট। তরুণীকে দেখে মনে হচ্ছে যে তিনি দাঁড়িয়ে থাকার অবস্থায় নেই। স্বামী তাঁর হাতটি শক্ত করে ধরে রয়েছেন। বিছানা ছেড়ে তরুণীর স্যালাইন-সহ উঠে আসার কারণ তাঁর ছুটির দরখাস্ত মঞ্জুর করেননি ঊর্ধ্বতন। অসুস্থতার কথাও বিশ্বাস করেননি। উল্টে তাঁর কাছে প্রমাণ চেয়েছেন এবং কাজে আসতে বলেছেন। তাই অসুস্থ মহিলা কর্মী স্বামীকে নিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি ছুটে এসেছেন ‘প্রমাণ’ দিতে। চাকরি চলে যাওয়ার ভয় তাঁকে এ কাজ করতে বাধ্য করেছে। স্বামী-সহ তরুণী ঊর্ধ্বতনের ঘরে ঢুকতেই শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা। উচ্চপদস্থ সেই মহিলা চেয়ারে বসে ছিলেন। তিনি মহিলা কর্মীকে দেখে ঘাবড়ে যান। দাবি করেন, তিনি কেবল ছবি তুলে পাঠাতে বলেছিলেন। কিন্তু তরুণীর সহকর্মীরা এবং স্বামী তাঁর এ-হেন অমানবিক আচরণের জন্য তাঁকে কথা শোনাতে থাকেন। অসুস্থ মহিলা কর্মী আঁচল দিয়ে চোখের জল মুছে চলেন। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।

‘জ়িন্দগি.গুলজ়ার.এইচ’ নামের ইনস্টাগ্রামের অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। আট হাজারের কাছাকাছি নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মন্তব্যবাক্সে তরুণীর ঊর্ধ্বতনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নেটাগরিকেরা। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘মনুষ্যত্ব মরে গিয়েছে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement