Viral Video

ট্রেনের আপার বার্থ থেকে ক্যামেরাবন্দি হচ্ছিলেন, বুঝতে পেরে উর্ধ্বাঙ্গ ওড়নায় ঢাকলেন তরুণীরা! ভাইরাল ভিডিয়োয় হইচই

ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি ট্রেনের নীচের বার্থে বন্ধুদের সঙ্গে বসে রয়েছেন দুই তরুণী। নিজেদের মধ্যে গল্প করছেন। অন্য দিকে উপরের বার্থ থেকে এক জন তাঁদের ক্যামেরাবন্দি করছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ ১৮:০৪
Share:

ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

গণপরিবহণের মধ্যে ক্যামেরাবন্দি করা আরও একটি ভিডিয়ো ভ্রমণের সময় মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করা ওই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ট্রেনের কামরায় নীচের বার্থে বসে থাকা দু’জন তরুণীকে ওপরের বার্থ থেকে গোপনে ক্যামেরাবন্দি হচ্ছেন। ভাইরাল হওয়া ওই পোস্টে দাবি, ভিডিয়োটি আপত্তিকর গান-সহ শেয়ার করা হয়েছে সমাজমাধ্যমে এবং এতে পুলিশের কাছে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি ট্রেনের নীচের বার্থে বন্ধুদের সঙ্গে বসে রয়েছেন দুই তরুণী। নিজেদের মধ্যে গল্প করছেন। অন্য দিকে উপরের বার্থ থেকে এক জন তাঁদের ক্যামেরাবন্দি করছেন। তরুণীদ্বয় সম্ভবত সে বিষয়ে কিছুই জানতেন না। কিছু ক্ষণ পর তাঁদের একজন বুঝতে পারেন যে, ওপরের বার্থে থাকা এক ব্যক্তি আপত্তিকর কোনও কোণ (অ্যাঙ্গেল) থেকে তাঁদের ভিডিয়ো তুলছেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে তরুণীদ্বয় অস্বস্তিবোধ করেন। স্কার্ফ দিয়ে নিজেদের শরীরের উপরিভাগ ঢাকার চেষ্টা করেন তাঁরা। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিয়োয় দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের এবং যিনি ওই তরুণীদের ভিডিয়ো করছিলেন, তাঁর নাম নীতীশ জাটভ। মেয়েদের আপত্তিকর ভাবে ক্যামেরাবন্দি করে তা অশ্লীল গান-সহ ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেন তিনি।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘মণীশ কুমার সিংহ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। উত্তরপ্রদেশের পুলিশকে বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। গণপরিবহণে ভ্রমণকারী নারী যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘ওই বিকৃত মানসিকতার লোকটিকে দেখার পরই তরুণীদের নিজেকে আড়াল করতে হয়েছিল। ভাবছি এই সমাজে নারীরা কী ভাবে টিকে আছেন।’’ অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘আজকাল মানুষ অন্যের অনুমতি ছাড়াই তাঁদের ভিডিয়ো রেকর্ড করেন এবং সমাজমাধ্যমে অস্বস্তিকর ভঙ্গির ছবি থাম্বনেল হিসাবে ব্যবহার করেন। অনুমতি ছাড়া অপরিচিতদের ক্যামেরাবন্দি করাকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা উচিত।’’ তৃতীয় এক নেটাগরিক আবার মন্তব্য করেছেন, ‘‘উত্তরপ্রদেশ পুলিশ দয়া করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিক। কিন্তু বিষয়টি জানার পরও ওই তরুণীরা কেন সোচ্চার হলেন না? শিক্ষিত মেয়েরাও কি জানেন না কী ভাবে আরপিএফের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়??’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement