ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
জঙ্গলে বন্যপ্রাণীদের নিয়ম সহজ এবং স্পষ্ট— জোর যার মুলক তার। উদাহরণস্বরূপ, নদীর তীরে কোনও কুমির থাকলে এবং সেখানে একটি চিতাবাঘ বা চিতাবাঘের দল উপস্থিত থাকলে, তারা কুমিরটিকে শিকার করার চেষ্টা করবে। আবার কোনও চিতাবাঘ যদি একা কুমিরের সামনে পড়ে যায়, তবে কুমিরটিও তাকে ছাড়বে না। সম্প্রতি সে রকমই একটি ঘটনা সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, শিকারের উদ্দেশে আসা একটি কুমিরকে কাটিয়ে নিজের জীবন বাঁচাতে বিশাল লাফ দিয়েছে একটি চিতাবাঘ। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি খরস্রোতা নদীর মাঝখানে একটি পাথরের উপর বসে রয়েছে একটি চিতাবাঘ। চিতাবাঘটি খাবারের সন্ধানে নদীর কাছে গিয়েছিল। কিন্তু নদীর জলে ওত পেতে থাকা একটি কুমিরের নজর তার দিকে পড়ে। এর পরই চিতাবাঘটির জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে ওঠে। ‘জলের রাজা’ কুমির চিতাবাঘটিকে দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিশাল হাঁ করে তার উপর কামড় বসানোর জন্য তেড়ে আসে। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে, চিতাবাঘটি কুমিরকে ‘ডজ’ করে তার সমস্ত শক্তি দিয়ে এক বিশাল লাফ দেয়। কুমিরের নাগাল থেকে অনেক দূরে সরে যায় চিতাবাঘটি। জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে চিতাবাঘটি নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে সফল হয়। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘লেটেস্ট ক্রুগার’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। চিতাবাঘ এবং কুমিরের লড়াই নেটাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ভিডিয়োটি দেখার পর অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘প্রকৃতির সব কিছুই আসলে সঠিক সময়ের খেলা। কী চমৎকার এক দৃশ্য!’’ অন্য এক জন আবার মন্তব্য করেছেন, ‘‘কয়েক সেকেন্ডের জন্য বেঁচে গিয়েছে চিতাবাঘটি। একটু হলেই ভবলীলা সাঙ্গ হয়ে যাচ্ছিল।’’