Viral Video

ছেলের সঙ্গে বসেন দশমের পরীক্ষায়, পাশ করে সন্তানদের নিয়ে আনন্দে লাফালেন, কেঁদেও ফেললেন বধূ! ভাইরাল ভিডিয়ো

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশের পালাকোল্লুর বাসিন্দা ওই বধূর নাম লক্ষ্মী লাহারি। লক্ষ্মী ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন। কিন্তু বিয়ে এবং সংসারের দায়িত্ব কাঁধে এসে পড়ার কারণে পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ মে ২০২৬ ১৪:১৪
Share:

দশম শ্রেণির পরীক্ষায় পাস করে সন্তানদের সঙ্গে আনন্দে মাতলেন মা। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

ষষ্ঠ শ্রেণি অবধি পড়াশোনা করেছিলেন। তার পর সংসারের চাপ সামলে আর পড়াশোনা করা হয়নি। অবশেষে সন্তানের সঙ্গে দশম শ্রেণির পরীক্ষা দিলেন বধূ। পাশও করলেন ছেলের সঙ্গে। ফলাফল প্রকাশের পরেই দুই সন্তানকে জড়িয়ে আনন্দে নাচলেন তিনি। কেঁদেও ফেললেন। মন ভাল করা তেমনই একটি ঘটনার ভিডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশের পালাকোল্লুর বাসিন্দা ওই বধূর নাম লক্ষ্মী লাহারি। লক্ষ্মী ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন। কিন্তু বিয়ে এবং সংসারের দায়িত্ব কাঁধে এসে পড়ার কারণে পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন। দুই সন্তান রয়েছে তাঁর। তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সন্তান বিজয় এ বছর দশম শ্রেণির পরীক্ষা দিয়েছে। বিজয়ই আবার মাকে পড়াশোনা শুরু করার জন্য অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। ছেলের সাহস তাঁর মায়ের স্বপ্নকে পুনরুজ্জীবিত করে এবং তারা একসঙ্গে দশম শ্রেণির পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায় দু’জনেই পাশ করেছেন পরীক্ষায়। এর পরেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন মা-ছেলে। আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে দু’জনেই। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।

ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ফলপ্রকাশের পরেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েছে বিজয় এবং লক্ষ্মী। দু’জনে দু’জনকে জড়িয়ে ধরে উদ্‌যাপন শুরু করে। এগিয়ে আসে লক্ষ্মীর কনিষ্ঠ সন্তানও। এর পর আনন্দে কার্যত লাফাতে শুরু করে তিন জন। আনন্দ-ফূর্তির পর কান্নায় ভেঙে পড়েন লক্ষ্মী। কাঁদতে দেখা যায় বিজয়কেও। জানা গিয়েছে, লক্ষ্মী ৬০০-এর মধ্যে ৩৬০ পেয়েছেন। ছেলে বিজয় পেয়েছে ৫৬২।

Advertisement

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘রেবতী’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই মা-ছেলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন অনেকে। দু’জনকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে ঘটনাটি। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘শেখার কোনও বয়স হয় না। শুধু ইচ্ছাশক্তি প্রয়োজন।’’ অন্য এক জন মন্তব্য করেছেন, ‘‘মা এবং ছেলের এই হাসিই প্রকৃত সাফল্য। দু’জনকেই কুর্নিশ। এ রকম সন্তান যেন সকলের হয়।’’ তৃতীয় এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘এটি ইন্টারনেটের সবচেয়ে সুন্দর এবং অনুপ্রেরণামূলক ভিডিয়ো।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement